দ্য ওয়াল ব্যুরো: হরিয়ানার রেওয়াড়ি জেলায় গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন সিবিএসই–র দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় প্রথম হওয়া তরুণী।এই ঘটনায় অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে পুলিশ। তিন অভিযুক্তের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক জওয়ানও। অবশেষে এই তিন অভিযুক্তের একজনকে গ্রেফতার করেছে হরিয়ানা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের নাম নিশু ফোগাট। বাকি দু'জনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, নিশু ফোগাট গোটা ঘটনার পরিকল্পনা করেছিল। এবং ঘটনাস্থলে ডেকে এনেছিল এক ডাক্তারকেও। সিটের চিফ নাজনীন ভাসিন জাআনিয়েছেন, তরুণীর ধর্ষণের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন ওই ডাক্তার। ইতিমধ্যেই ওই ডাক্তার এবং যে জমি থেকে তরুনীকে উদ্ধার করা হয়েছে সেই জমির মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকেই নিখোঁজ ছিলেন ওই তরুণী। বৃহস্পতিবার রক্তাক্ত এবং অচৈতন্য অবস্থায় একটি বাস স্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁকে। পুলিশের কাছে নির্যাতিতা অভিযোগ জানিয়ে বলেছিলেন, বুধবার রাতে কোচিং ক্লাস থেকে বাড়ি ফেরার সময় তিনজন দুষ্কৃতী গাড়ি করে তুলে নিয়ে যায় তাঁকে। একটি পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালানো হয় তাঁর উপর। সেখানে ছিল আরও কয়েকজন দুষ্কৃতী। পুলিসের কাছে নির্যাতিতা জানিয়েছিলেন, তাঁর গ্রামের লোকেরাই এই কাজ করেছে।
রবিবার নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছেছিল ক্ষতিপূরণের চেক। কিন্তু সেই চেক ফিরিয়ে দিয়েছিলেন নির্যাতিতার মা। দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছিলেন, ক্ষতিপূরণ নয়, মেয়ের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার চান তিনি। দাবি করেছিলেন অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশের জালে পাকড়াও হলো হরিয়ানা গণধর্ষণ কাণ্ডে জড়িত তিন অভিযুক্তের একজন।