দ্য ওয়াল ব্যুরো: "আমি দীপিকার খুব বড় ভক্ত। ওঁর ওপর যে কোনও রকম আক্রমণের নিন্দা করছি।"-- দীপিকা পাড়ুকোন প্রসঙ্গে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সপ্রিয়।
সম্প্রতি জেএনইউ-এর প্রহৃত পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করতে সবরমতী হস্টেলে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। সেখানে গিয়ে কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে চলে আসেন তিনি। কোনও বক্তব্যও রাখেননি। কিন্তু এই ঘটনার পরেই বিরোধিতায় নামে গেরুয়া শিবির। চরম সমালোচনার মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে। তাঁর আসন্ন ফিল্ম 'ছপাক' বয়কট করার দাবিও ওঠে অনলাইনে। দীপিকার বিরুদ্ধে কুকথায়, ট্রোলে ছেয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়া।
এমনকি আক্রমণ করেন বিজেপি নেতানেত্রীরাও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি তোপ দাগেন, "দেশদ্রোহীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন দীপিকা।" নিজের আসন্ন ছবির সুচারু প্রচার পদ্ধতির দিকে আঙুল তুলেও আক্রমণ শানান কেউ কেউ।
এই প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন বাবুল সুপ্রিয়। শোনা যায়, তিনি ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, দীপিকা সেদিন যাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরাই অভিযুক্ত হিসেবে প্রতিপন্ন হয়েছে। তবে প্রকাশ্যে মোটেই এমনটা বলেননি বাবুল। বরং তিনি নিন্দা করেন দীপিকার বিরুদ্ধে হওয়া আক্রমণের।
ছত্তীসগড়ের একটি অনুষ্ঠানে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বাবুল বলেন, "আমি দীপিকার খুব বড় অনুরাগী। এমনকি 'ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি' দেখার পরে আমি দীপিকার চরিত্র দেখেই ছোট মেয়ের নাম রাখি নয়না। কেউ যদি দীপিকার বিরুদ্ধে কোনও খারাপ কথা বলেন, আমি তার নিন্দা করছি। ওঁর বিরুদ্ধে কোনও খারাপ কথা ব্যবহার করা উচিত নয়।"
ছত্তীসগড়ে নাগরিকত্ব আইন প্রচারে একটি সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন বাবুল। সেখানে তিনি অভিযোগ তোলেন, এই আইনের বিরোধিতা করতে গিয়ে নানা রকম অপপ্রচারে নেমেছে বিরোধী দলগুলি। কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং নিপীড়িতদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য এই আইন বলে জানান তিনি। ফলে এই আইনের বিরোধিতায় যা যা হচ্ছে, সে সবই বেআইনি ও অর্থহীন বলে ব্যাখ্যা দেন বাবুল।