সাবমেরিনের গোপন তথ্য ফাঁস! সিবিআইয়ের জালে নৌসেনা কম্যান্ডার সহ পাঁচ অফিসার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবার সাবমেরিনের (Submarines) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস করার অভিযোগ উঠল নৌবাহিনীর অন্দরে। সিবিআই তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। কিলো ক্লাস গোত্রের আধুনিক সাবমেরিনের প্রযুক্তি সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি বাইরে পাচার করা হচ্ছে বলে
শেষ আপডেট: 27 October 2021 12:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবার সাবমেরিনের (Submarines) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস করার অভিযোগ উঠল নৌবাহিনীর অন্দরে। সিবিআই তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। কিলো ক্লাস গোত্রের আধুনিক সাবমেরিনের প্রযুক্তি সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি বাইরে পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তদন্তকারীদের। গ্রেফতার করা হয়েছে, এক নৌসেনা কম্যান্ডার, দু’জন অবসরপ্রাপ্ত অফিসার সহ পাঁচজনকে।
সিবিআই সূত্রে খবর, ওয়েস্টার্ন ন্যাভাল কম্যান্ডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার একজন কম্যান্ডারকে গ্রেফতার করা হয়েছিল মুম্বই থেকে। তথ্য পাচারের ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই বাকি অফিসারদের নাম উঠে আসে।
কিলো ক্লাস সাবমেরিনের যেসব তথ্যা ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ সেটি তৈরি হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নে। ভারতে এই ধরনের সাবমেরিন সিন্ধুঘোষ নামে পরিচিত। ভারতের হাতে বর্তমানে রয়েছে এই ধরনের ১০টি সাবমেরিন। এগুলোর সবকটিরই আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। সেই তথ্য পাচার হয়েছে বলে মনে করা হয়েছে।
দিল্লি, নয়ডা, মুম্বই, হায়দরাবাদ সহ ১৯টি শহরে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। ধৃত নৌসেনা অফিসারদের জেরা করে বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে। সাবমেরিনের কী কী তথ্য পাচার করা হয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে।
গালওয়ান সংঘাতের পরে দক্ষিণ চিন সাগরে আরও আগ্রাসী চিনের নৌবহর। ভারতও ইতিমধ্যেই সেখানে নিজেদের রণতরী পাঠিয়ে দিয়েছে। সূত্রের খবর, চিনের অ্যাটক সাবমেরিনের সংখ্যা ভারতের থেকে বেশি। চিনের হাতে এখন আছে ৫০টি সাবমেরিন। যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা সাড়ে তিনশোর বেশি। ভারতও তার নৌবহর বাড়িয়েই রাখছে। মোট ২৪টি সাবমেরিন হাতে রাখতে চাইছে ভারতীয় নৌসেনা। তার মধ্যে ৬টি নিউক্লিয়ার অ্যাটাক সাবমেরিন, ১৫টি ডিজেল-ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিন এবং ২টি নিউক্লিয়ার সাবমেরিন। ভারতীয় নৌসেনার হাতে এই মুহূর্তে সাবমেরিনের সংখ্যা ১৫টি। যার মধ্যে ১৩টি ডিজেল ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিন, ২টি নিউক্লিয়ার অ্যাটাক সাবমেরিন। ভারতের হাতে এখন যে ডিজেল-ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিনগুলি রয়েছে সেগুলির মধ্যে ৯টি রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা হয়েছিল। ৪টি কেনা হয়েছিল জার্মানির কাছ থেকে। এই সাবমেরিনগুলি এখন অনেক পুরনো হয়ে গেছে। নতুন ৬টি সাবমেরিনের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। পুরনো সাবমেরিনগুলো আধুনিকীকরণের কাজও চলছে। এই সময় তথ্য পাচার হয়ে গেলে তা প্রতিরক্ষায় বড় আঘাত হানতে পারে। হন্যে হয়ে তাই অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'