
শেষ আপডেট: 8 June 2019 08:44
আইডব্লিউএআই অর্থাৎ ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌপথ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রবীর পান্ডে আরও বলেন, "জাতীয় গ্রিন ট্রাইব্যুনালের প্রিন্সিপাল কমিটি প্রকল্পটিতে কোনও আপত্তি জানায়নি। উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির সরকারের সাথে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত আলোচনা চলছে। এতে কয়েক মাস সময় লাগবে। আর তারপরেই আমরা ভেসেলগুলোর ট্রায়াল রান শুরু করে দেব। ”
শেষ কিছু বছর ধরেই দিল্লিবাসীরা যানজটে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, যে কোনও জায়গায় যেতে গেলে অসম্ভব বেশি সময় লাগছে, তাই এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রাস্তায় যানজটের সমস্যা কমবে, এবং কম সময়ে বেশি দূরত্বে পৌঁছে যাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রক্ল্পের দায়িত্বে যাঁরা আছেন, তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলি থেকে অনুমোদনের জন্যও কাজ করছেন এবং সরকার এই পরিকল্পনা সম্পর্কে যথেষ্ট আশাবাদী। এমনকি এই প্রকল্পের জন্য যমুনার নব্যতাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই দায়িত্বপ্রাপ্তরা ইতিমধ্যেই রাজ্যের কাছ থেকে নদীতে আরও জল সরবরাহের বিষয়ে আলোচনাও করে ফেলেছেন। আর তাতে সদুত্তরও পেয়েছেন তাঁরা। কোনওভাবেই যাতে নদীর কম জল এই প্রজেক্টের সমস্যার কারণ না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকল্পটি মানুষের জন্য ভালোই হবে। তবে, দুটি প্রধান উদ্বেগের জায়গা থাকবে – ১. নদীতে জীববৈচিত্র্যে সমস্যা ও দূষণ থেকে ক্ষতি। যমুনা ইতিমধ্যে দূষিত হয়েছে এবং আমরা আশা করি যে এটি আরও খারাপ হবে না। ২. প্রবাহের সময় নদীতে ডাম্পিং বর্জ্য যাতে মানুষ না ফেলেন, সে দিকে নজর রাখাটা ভীষণভাবে জরুরি। প্রয়োজনে তাতে কঠোর নিয়ম এবং শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে।