
শেষ আপডেট: 4 March 2020 18:30
কলেজের স্প্রিং ফেস্টের জন্য এই হিউম্যানয়েড রোবট তৈরির কাজ অনেকদিন ধরেই শুরু হয়েছিল নারুলায়। কলেজ সূত্রে খবর, অধ্যাপিকা বাঁশরি দেবী মজুমদারের তত্ত্বাবধানে ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রথম বর্ষের ছেলেমেয়েরা মাত্র ৬০ দিনে বানিয়েছেন এই রোবট। তাঁদের সাহায্য করেছেন চতুর্থ বর্ষের পড়ুয়ারাও।
কী কী কাজ করতে পারবে লুসি? অধ্যক্ষ মৈত্রেয়ীদেবী বলেছেন, গলার স্বর চিনতে পারে লুসি। অনেকটা আমাজন আলেক্সা ডিভাইসের মতো, ‘লুসি’ নাম ধরে ডাকলেই সে সাড়া দেবে। কথোপকথন চালাতে পারবে মানুষের সঙ্গে। তার চোখের জায়গায় বসানো আছে দু’টি ফ্রন্ট ক্যামেরা। তবে এটা প্রাথমিক, লুসির দৃষ্টিশক্তি আরও জীবন্ত করার চেষ্টা চলছে। কাজকর্মেও অত্যন্ত পটু লুসি। জিনিসপত্র আনা-নেওয়া করা, ঘর পরিস্কার করা এমনকি নিরাপত্তারক্ষীর কাজও করতে পারবে মিস লুসি। মৈত্রেয়ীদেবী বলেছেন, লুসিকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে যাতে সে ট্রাফিক সিগন্যালও সামলাতে পারে। ভবিষ্যতে লুসির প্রযুক্তিতে আরও উন্নতি ঘটিয়ে গবেষণা সংক্রান্ত কাজেও লাগানো যেতে পারে এই রোবটকে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবোটিক্সের রমরমা এখন গোটা বিশ্বজুড়েই। মহাকাশেও রোবট ‘ব্যোমমিত্র’কে পাঠানোর তোড়জোড় করছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। জাপান, কোরিয়াতে বিজ্ঞান ও গবেষণার কাজে রোবটই অন্যতম হাতিয়ার মানুষের। পিছিয়ে নেই আমাদের দেশও। রোবোটিক্সে ভারতীয় প্রযুক্তিও উন্নতির শিখরে উঠে আসছে। নারুলা ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির পড়ুয়াদের তৈরি মিস লুসি সেক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে সন্দেহ নেই।