.jpeg)
ব্রাত্য বসু। শিক্ষামন্ত্রী।
শেষ আপডেট: 10 April 2025 17:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসএসসির ২০১৬ ( SSC 2016) সালের নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল করেছে সুপ্রিমকোর্ট। তারপর এক সপ্তাহ অতিক্রান্ত। এখনও শিক্ষা দফতরের বেতন পাওয়ার নির্দিষ্ট পোর্টালে নাম রয়েছে চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের।
ফলে চূড়ান্ত হতাশার মধ্যেও কিঞ্চিৎ আশার আলো দেখছেন চাকরিহারারা। সরকারি পোর্টালে চাকরিহারাদের নাম থাকায় এখনই তাঁদের বেতন বন্ধ হবে না বলে তাদের কেউ কেউ মনে করছেন। সেক্ষেত্রে এখনই আর্থিক দুর্দশার মুখোমুখিও হতে হবে না তাঁদের।
এ ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্টের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত রাজ্য যে চাকরিহারাদের বেতন এখনই বন্ধ করছে না তাও স্পষ্ট। বুধবারই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছিলেন, বেতনের বিষয়ে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। এও বলেন, "এখনও পর্যন্ত কোনও স্কুলে কোনও শিক্ষককে বাদ দেওয়া হয়নি। কোথাও বেতন বন্ধের কথা বলাও হয়নি।”
প্রসঙ্গত, গত ৭ এপ্রিল নেতাজি ইনডোরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও চাকরিপ্রার্থীদের বরাভয় দিয়ে বলেছিলেন, "আমি বেঁচে থাকতে কাউকে চাকরিহারা হতে দেব না।" এও বলেছিলেন, শীর্ষ আদালতে সমস্যার সুরাহা না হলে রাজ্য বিকল্প ব্যবস্থা করবে।
এজন্য চাকরিহারাদের স্কুলে গিয়ে স্বেচ্ছায় পড়াতেও বলেছিলেন তিনি। যদিও মিরর ইমজ প্রকাশ করে যোগ্য ও অযোগ্য বাছাইয়ের দাবিতে বুধবার রাজ্যজুড়ে ডিআই অফিসে বিক্ষোভ দেখায় সদ্য চাকরিহারাদের একাংশ। কসবা, বর্ধমানে শিক্ষকদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার শহরে মহামিছিলের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
একই সঙ্গে চাকরিহারাদের একাংশ বুধবার থেকে এসএসসি দফতরের সামনে অবস্থান শুরু করেছিল। রাত পেরিয়ে সকাল হয়ে গেলেও তাঁরা সেখান থেকে নড়েননি। বরং অবস্থানে অনড় থেকে এবার অনশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বৃহস্পতিবারবেলা ১১টা থেকে অনশন শুরু করেছেন চাকরিহারারা। আপাতত পঙ্কজ রায় নামে একজন শিক্ষক অনশন শুরু করলেন। তাঁদের মূল দাবি, মিরর ইমেজ প্রকাশ করুক এসএসসি।
অন্যদিকে চাকরিহারাদের ধৈর্যধরার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। আগামী শনিবার ফের চাকরিহারাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন শিক্ষামন্ত্রী। ফলে কোন পথে জটিলতা দূর হয়, নাকি জটিলতা আরও বাড়ে, তা নিয়ে কৌতূহব সব মহলে।