Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

আরজি করে জ্বরে আক্রান্ত যুবকের মৃত্যু, পরিবারের দাবি স্যালাইনটুকুও পায়নি

নন্দর বাবা জ্যোতিষ বিশ্বাসের অভিযোগ,তাঁর ছেলের সঙ্কটজনক অবস্থা দেখেও এগিয়ে আসেননি কেউ। বারবার নার্সদের ডাকা হলেও সাড়া দেননি তাঁরা।

আরজি করে জ্বরে আক্রান্ত যুবকের মৃত্যু, পরিবারের দাবি স্যালাইনটুকুও পায়নি

শেষ আপডেট: 14 September 2024 12:55

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জ্বর হওয়ায় সোমবার ছেলেকে ভর্তি করেছিলেন আরজি কর হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার হাসপাতালেই মারা যান নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা নন্দ বিশ্বাস (২৪)। বিনা চিকিৎসাতেই ওই যুবকের মৃত্য়ু হয়েছে বলে অভিযোগ তুুলল পরিবার। 

নন্দর বাবা জ্যোতিষ বিশ্বাসের অভিযোগ,তাঁর ছেলের সঙ্কটজনক অবস্থা দেখেও এগিয়ে আসেননি কেউ। বারবার নার্সদের ডাকা হলেও সাড়া দেননি তাঁরা। মৃত্যুর আগে ন্যূনতম চিকিৎসাও পাননি। এখন ছেলের মৃত্যুর বিচার চাইছেন রানাঘাটের এই বাসিন্দা। তাঁর অভিযোগ, সোমবার ভর্তি হওয়ার পর কিছুটা দেখাশোনা হলেও মঙ্গলবার থেকে একদমই বিনা চিকিৎসায় পড়েছিলেন তাঁর ছেলে। স্যালাইন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি তাঁকে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধীরে ধীরে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। 

জ্যোতিষবাবু বলেন,‘‘প্রেসক্রিপশনে স্যালাইন দেওয়ার কথা লেখা ছিল। ভর্তির পর দুয়েকবার স্যালাইন দেওয়া হয়। মঙ্গলবার থেকেই বন্ধ হয়ে যায় স্যালাইনও। ডাক্তার-নার্স কেউ এসে দেখেননি। ওর অবস্থা খারাপ হচ্ছে বুঝতে পেরে বারবার নার্সদের কাছে যাচ্ছিলাম। কিন্তু কেউ এসে একবারও দেখল না আমার ছেলেটাকে।" তিনি জানান, সোমবার ভর্তি হওয়ার পর মঙ্গলবার কিছুটা সুস্থ বোধ করছিল ও। কিন্তু একদম দেখভাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ছেলেটাকে হারালেন তাঁরা।

ছেলেটির পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার থেকে নন্দর প্রস্রাব এবং পায়খানা বন্ধ হয়ে যায়। মুখ থেকে গ্যাঁজলা বেরোতে শুরু করে। সেই সময়েও ডাক্তারের খোঁজে ছোটাছুটি করছিলেন তাঁরা। কিন্তু কোনও ডাক্তার ছিলেন না। যখন তাঁরা এলেন তত ক্ষণে সবশেষ। তাঁরা জানান, অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ায় ছেলেকে বড় নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল হাসপাতাল। কিন্তু টাকা ছাড়া সেখানে কে তাদের রোগীকে ভর্তি নেবে!  

গত ৯ অগস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের চারতলার সেমিনার রুম থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ছাত্রীর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার হয়। তারপরেই প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারেরা। রাজ্যের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা এই প্রতিবাদ আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। ১ মাসের বেশি সময় ধরে কর্মবিরতি পালন করছেন তাঁরা। জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতিতে এখনও পর্যন্ত সাত লক্ষ মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে সরকারের দাবি।   


```