নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আহত হন একাধিক পুলিশকর্মী। হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে বিশৃঙ্খল সৃষ্টি এবং পুলিশকে মারধর করার অভিযোগে ৭টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।
.jpg.webp)
গ্রেফতার চন্দন গুপ্ত
শেষ আপডেট: 13 August 2025 13:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করকাণ্ডের বর্ষপূর্তির অর্থাৎ গত ৯ অগস্ট নবান্ন অভিযানের দিন পুলিশকে মারধরের ঘটনায় প্রথম গ্রেফতারি। তদন্তে নেমে জগদ্দলের বাসিন্দা চন্দন গুপ্তকে গ্রেফতার করল নিউমার্কেট থানার পুলিশ। নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আহত হন একাধিক পুলিশকর্মী। হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে বিশৃঙ্খলতা এবং পুলিশকে মারধর করার অভিযোগে ৭টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। সেই ঘটনাতেই একজনকে গ্রেফতার করা হল।
গত শনিবার নির্যাতিতার পরিবারের (RG Kar victims parentss) ডাকে 'অরাজনৈতিক' নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) যোগ দিয়েছিলেন বহু মানুষ। রাজনৈতিক দলের নেতারাও দলীয় পতাকা ছেড়ে মিছিলে হেঁটেছিলেন। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করার অভিযোগ যেমন উঠেছে, পুলিশকে মারধরের করার অভিযোগ তুলেছে লালবাজার।
পার্কস্ট্রিটে থেকেই নবান্নর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই তাঁদের বাধা দেয় পুলিশ। তাই পার্কস্ট্রিটেই অবস্থানে বসে পড়েন তিনি এবং বাকি বিজেপি নেতারা। এরপরই সামনে আসে পুলিশের আহত হওয়ার খবর।
মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনেও পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়, যেখানে দেখা যায়, আর আর অ্যাভিনিউয়ের পরিবর্তে মিছিল পার্কস্ট্রিটের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। কলকাতা পুলিশের দাবি অনুযায়ী, ৫ পুলিশকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন, এএসআই জগবন্ধু সাহু, কনস্টেবল নিমাই মণ্ডল ও একজন হোমগার্ড।
নবান্ন অভিযানের দিন পুলিশকে উদ্দেশ্য করে আক্রমণের অভিযোগে মোট একাধিক মামলা রুজু হয়েছে, জানিয়েছেন যুগ্ম কমিশনার মিরাজ খালিদ। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের তরফে এও বলা হয়েছে, গোটা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শুধুমাত্র মিছিল দমন নয়, যাঁরা আইন ভাঙছেন বা পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছেন, তাঁদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।