
শেষ আপডেট: 25 July 2023 07:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবারও রাজ্যসভায় তৃণমূল নেতা ডেরেক ও ব্রায়েনকে একপ্রকার ধমক দিয়েছেন সভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়। তার আগের দিন অর্থাৎ রবিবার আবার একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankar) বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্ত করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া ঠিক নয়। অনেকে মনে করেছিলেন, ধনকড় ঠারেঠোরে তৃণমূলকেই ইঙ্গিত করতে চাইছেন।
সোমবার সংসদে সেই জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে দেখা করে চা খেলেন অভিনেতা তথা ঘাটালের সাংসদ দেব (MP Dev)। হোয়াটস অ্যাপ স্টেটাসে সেই ছবি পোস্ট করে দেব ওরফে দীপক অধিকারী লিখেছেন, ‘ওঁর সঙ্গে দেখা করলে সব সময়ই সুখানুভূতি হয়’। উপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করা ইতিবাচক। সংসদীয় রাজনীতিতে এহেন শিষ্টাচার ইদানীং বিরল হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু কৌতূহলের বিষয় হল, দেবের এই শিষ্টাচার কি সাদা-কালোয় দেখছেন তৃণমূলের সকলে?
বাংলায় রাজ্যপাল ছিলেন জগদীপ ধনকড়। সংসদীয় পদে থেকেও রাজভবনকে বিজেপির আখাড়ায় পরিণত করেছিলেন বলে অভিযোগ করত তৃণমূল। আবার উপ রাষ্ট্রপতি হিসাবে ধনকড় ইদানীং যে মন্তব্য করছেন, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করছেন বিরোধীরা। অর্থাৎ এহেন ধনকড় নিজেই সংসদীয় পদের গরিমা রাখছেন না বলে অভিযোগ।
সেই ধনকড়ের সঙ্গে সাক্ষাতে দেবের সুখানুভূতি তাই জোড়াফুলের কেউ কেউ আড় চোখে দেখছেন। এমনিতে তৃণমূলের মধ্যে জল্পনা রয়েছে যে চব্বিশের লোকসভা ভোটে দেব আর প্রার্থী হতে নাও চাইতে পারেন। তা ছাড়া একটা ব্যাপার অনেকের নজর কেড়েছে। সম্প্রতি গরু পাচার মামলার সূত্রে দেবকে জেরার জন্য নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি। সেই সময়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে প্রকাশ্যে চোর ইত্যাদি বলে সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু তার পরেও নীরব ছিলেন দেব।
আরও পড়ুন: বিরোধী জোটের ‘ইন্ডিয়া’র নামকে জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গে তুলনা মোদীর