প্রথমে জনগণনা দফতরের অধীনে ছিল গোটাটা। সরকারি সংস্থা, ব্যাঙ্ক, ডাকঘর ইত্যাদির পাশাপাশি বহু বেসরকারি সংস্থাকেও এই কেন্দ্র খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। পরে পুরো দায়িত্বটাই চলে আসে ইউআইডিআইয়ের হাতে।

আসানসোলের আধার সেবা কেন্দ্র পরিদর্শনে ইউআইডিএআইয়ের সিইও ও অন্যান্য কর্তারা।
শেষ আপডেট: 2 March 2026 18:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আধার নিয়ে নানা বিতর্কের মধ্যে (Aadhar Controversy) আধার কেন্দ্রের (Aadhar Centre) অপ্রতুলতার অভিযোগ করেন আমজনতা। যদিও আধার কর্তৃপক্ষের (ইউআইডিএআই) দাবি, মোট জনসংখ্যার সিংহভাগেরই আধার নথিভুক্তি হয়ে যাওয়ায় এখন কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা কম। তবুও পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশে আধার পরিষেবা ও নতুন কেন্দ্র সম্প্রসারণের বার্তা দিলেন তাঁরা।
রবিবার ধানবাদের পাশাপাশি আসানসোলের আধার সেবা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইউআইডিএআইয়ের সিইও ভুবনেশ কুমার, রাঁচির আঞ্চলিক অধিকর্তা তথা ইউআইডিএআইয়ের ডিডিজি অখিলেশ কুমার গুপ্ত ও অন্য পদস্থ কর্তারা। সেখানেই তাঁরা জানান, আধার সেবা কেন্দ্রের সংখ্যা রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আটটি থেকে বেড়ে হবে ২২টি। সূত্রের খবর, মমাস তিনেকের মধ্যেই সেগুলি চালু হওয়ার আশা।
গোড়ায় ইউআইডিএআই এ রাজ্যে তাদের আধার পরিষেবা কেন্দ্র চালু করতে পারেনি। প্রথমে জনগণনা দফতরের অধীনে ছিল গোটাটা। সরকারি সংস্থা, ব্যাঙ্ক, ডাকঘর ইত্যাদির পাশাপাশি বহু বেসরকারি সংস্থাকেও এই কেন্দ্র খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। পরে পুরো দায়িত্বটাই চলে আসে ইউআইডিআইয়ের হাতে।
তারপর থেকে আধার নথিভুক্তিকরণের (Aadhar enrollment) মতো মূল পরিষেবা থেকে নাম-ঠিকানা পরিবর্তন, মোবাইল নম্বর ষুক্ত করা ইত্যাদি সব পরিষেবাই মেলে তাদের আধার সেবা কেন্দ্রে এবং ব্যাঙ্ক, ডাকঘর, বিএসএনএলের শাখাগুলিতে। কিছু বেসরকারি সংস্থার নাম নথিভুক্তিকরণের অনুমতি না থাকলেও মোবাইল নম্বর সংযোগের মতো কয়েকটি পরিষেবা দেয়। সেগুলির নজরদারির দায়িত্বে থাকে ইউআইডিএআই।
এখন কলকাতা, আসানসোল, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, হাওড়া, শিলিগুড়ি, মালদহ ও নদীয়ায় সরাসরি ইউআইডিএআইয়ের নিজস্ব আটটি আধার সেবা কেন্দ্র চালু রয়েছে। মোট ৭২টি বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম দিয়ে সেখানে কাজ চলছে। এবারে আধার সেবা কেন্দ্রের সংখ্যা রাজ্যে বেড়ে হবে ২২টি। রাজ্যের মোট ২১টি জেলায় সেগুলি কার্যকর হবে। সরঞ্জাম বেড়ে হবে ১৮১টি।
অর্থাৎ, আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে আধার নথিভুক্তি থেকে প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলি পৌঁছনো আরও সহজ হবে। ভুবনেশ কুমার এ দিন আসানসোল কেন্দ্রের কর্মী-অফিসারদের পাশাপাশি সেখানে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আধার পরিষেবা দেওয়ার সঙ্গে আমজনতার অভিযোগ ও সমস্যা দ্রুত মেটাতেও তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়।