Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরও

কালো টাকা ফেরার নাম নেই, সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের আমানত বেড়ে গেল ৫০ শতাংশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কালো টাকা বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনব দেশে। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদী। তিনি ক্ষমতায় আসার পরে প্ৰথম তিন বছরে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের টাকা জমানোর প্রবণতা কমে গিয়েছিল। কিন্তু ২০১৭

কালো টাকা ফেরার নাম নেই, সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের আমানত বেড়ে গেল ৫০ শতাংশ

শেষ আপডেট: 29 June 2018 08:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কালো টাকা বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনব দেশে। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদী। তিনি ক্ষমতায় আসার পরে প্ৰথম তিন বছরে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের টাকা জমানোর প্রবণতা কমে গিয়েছিল। কিন্তু ২০১৭ সালে সেখানে ভারতীয়দের জমা টাকার পরিমাণ আচমকা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। এই তথ্য জানাজানি হওয়ার পরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, চলতি আর্থিক বছরের মধ্যেই আমরা জানতে পারব কারা সুইস ব্যাঙ্কে টাকা রেখেছে। কেউ যদি দোষী হয় তাহলে ছাড়া পাবে না। সুইস ব্যাঙ্কে আমানতকারী সম্পর্কে সব তথ্য গোপন রাখা হয়। সেজন্য কালো টাকা জমানোর নির্ভরযোগ্য জায়গা হল ওই ব্যাঙ্ক। সুইস ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২০১৭ সালে ভারতীয়রা ১০১ কোটি সুই ফ্রাঁ, অর্থাৎ সাত হাজার কোটি টাকা জমা দিয়েছেন। ২০১৬ সালে ভারতীয়রা জমা দিয়েছিলেন ৪৫০০ কোটি টাকা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কয়েক বছর আগে বিদেশে গচ্ছিত টাকা ফেরত আনার জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠিত হয়। তার প্রতিনিধিরা সুইস সরকারের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসেন। সুইজারল্যান্ডের সরকার বলে, ভারত সরকার যদি নির্দিষ্ট প্রমাণ দেখতে পারে যে, কোনও ভারতীয় অসাধু উপায়ে টাকা উপার্জন করে তাদের দেশের ব্যাঙ্কে জমা রেখেছে, তা হলে সেই আমানতকারী সম্পর্কে সব তথ্য জানিয়ে দেবে। পরবর্তীকালে ওই ব্যাঙ্ক জানায়, প্রায়জন হলে ভারত সরকারের সঙ্গে আরও বেশি সহযোগিতা করবে। ভারত সরকারের প্রতিনিধিরা যখন সুইজারল্যান্ডের সরকারের সঙ্গে এই আলোচনা চালাচ্ছেন, তখনই সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের টাকা গচ্ছিত রাখার পরিমাণ কমে যায়।  অনেকেই ভেবেছিলেন, কালো টাকার মালিকরা এখন হংকং, সিঙ্গাপুরের মতো দেশে টাকা গচ্ছিত রাখছেন। তার পরে শোনা গেল, ফের সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের গচ্ছিত টাকার পরিমাণ বেড়েছে।

```