
শেষ আপডেট: 25 June 2023 03:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চলার মধ্যেই রাশিয়ায় গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পুতিন সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের ডাক দিয়েছিল ওয়াগনারের ভাড়াটে সৈন্যরা। তাদের সামনে মাথা নোয়াতে রাজি ছিলেন না প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। ফলত গোটা বিশ্ব ধরেই নিয়েছিল যে, রাশিয়ায় মারাত্মক কিছু ঘটতে চলেছে। তবে শেষ অবধি পরিস্থিতি অতটাও বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছল না। ভারতীয় সময় শনিবার রাতেই পিছু হটার সিদ্ধান্ত নেয় পিএমসি ওয়াগনার। ফলত মস্কো থেকে সরে যায় ভাড়াটে সেনারাও।
রক্তপাত এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। তবে এর পিছনে গোপন সমঝোতার কথাও উল্লেখ করেছেন কেউ কেউ। তবে সমঝোতা হোক বা শুভবুদ্ধির উদয়, এর ফলে দু’পক্ষই যে আপোষের পথে হেঁটেছে, তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। সূত্রের খবর, বেলারুসের রাষ্ট্রপতি আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো দু’পক্ষের মধ্যস্থতা করেছেন। সেখানেই রাশিয়ার ভাড়াটে যোদ্ধা সংগঠন পিএমসি ওয়াগনার এবং রুশ সরকারের মধ্যে গোপন সমঝোতা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এর বিনিময়ে পিএমসি ওয়াগনারের প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিনকে গ্রেফতার করা হবে না। তিনি বেলারুসে চলে যাবেন।
সমঝোতার এখানেই শেষ নয়। সূত্রের খবর, যে চুক্তির জেরে ওয়াগনার সেনা সরিয়ে নিয়েছে, তাতে এও বলা আছে যে, ইয়েভগেনি প্রিগোজিনের বিরুদ্ধে থাকা সব অভিযোগ, মামলা রাশিয়া সরকার প্রত্যাহার করে নেবে। এর পাশাপাশি সে ভাড়াটে সৈন্যরা একত্র হয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও কোনওপ্রকার আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এ বিষয়ে জানান, পিএমসি ওয়াগনারের যে সদস্যরা এই বিদ্রোহে অংশ নেননি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে চুক্তির ভিত্তিতে তাঁদের নিয়োগ করা হবে। পুতিনের সঙ্গে বেলারুসের রাষ্ট্রপতি আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সুসম্পর্ক জেরেই রাশিয়া এই গভীর সঙ্কট এড়াতে পারল বলে মনে করা হচ্ছে।
হট ডগ বিক্রেতা থেকে ওয়াগনার গোষ্ঠীর প্রধান, পুতিনের খাস রাঁধুনিই এখন রাশিয়ার 'শত্রু'