
শেষ আপডেট: 6 August 2020 18:30
২০১৮ সালের অগস্টেও বন্যার ভয়াল রূপ দেখেছিল কেরল। অবিশ্রান্ত বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল রাজ্য, মারা গিয়েছিলেন ৪৮৩ জন। গত বছর একই ভাবে প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয়েছিল কেরল। এ বছরও নাগাড়ে বৃষ্টিতে বানভাসি উত্তর কেরলের ওয়েনাড়, ইদুক্কি, মালাপ্পুরম, কোঝিকোড় জেলা। মৌসম ভবন জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে ওয়েনাড় ও ইদ্দুকি জেলায়। জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। আরও পাঁচটি জেলার জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। তাদের মধ্যে আছে আলাপ্পুঝা, কোট্টায়াম, ত্রিচুর ও কাসারগড়। যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য তৈরি রাখা হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। ডুবে যাওয়া ওয়ানাড় জেলায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।
ওয়ানাড়ের পুথুমালায় বন্যার জলে ভেসে গেছে অসংখ্য বাড়িঘর। মেপ্পাডি অঞ্চলে কাদার ধস নেমে অনেকের আটকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ৪৪ টি নদীর মধ্যে অর্ধেকের জল বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বইছে। অনেকগুলি বাঁধও ভরে গিয়েছে। নিলাম্বুর, ইরিত্তি, কোট্টায়ুর এবং পাহাড়ের ওপরে মুন্নার অঞ্চলে আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।
এদিকে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিহারে। অন্তত ১৬টি জেলা বানভাসি। মোট ১১৮৫টি পঞ্চায়েত এলাকা বন্যার জলে ডুবে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিয়ান জেলায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও অবধি বিহারের বন্যায় মৃত্যু হয়েছে মোট ২১ জনের। বন্যা কবলিত এলাকাগুলি থেকে দুর্গতদের উদ্ধারের জন্য এনডিআরএফ এবং রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দল মিলিয়ে মোট ৩৩টি টিম কাজ করছে। ইতিমধ্যেই সাড়ে চার লক্ষের বেশি মানুষকে জলমগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।