
শেষ আপডেট: 9 July 2020 18:30
বিশ্বের আধুনিক এসইউভি গাড়িগুলির তালিকায় ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার, মার্সিডিজ বেঞ্জ জি ক্লাসের মতো প্রথম সারিতেই রয়েছে মারুতি সুজুকির জিপসি। ১৯৮৫ সালে ভারতের বাজারে আসে জিপসি। সেই সময় এতে ছিল ৯৭০ সিসি এফ১০এ ইঞ্জিন। ১৯৯৩ সালে এর নয়া ভার্সন ওয়াইডট্র্যাক জিপসি দেশের বাজারে নিয়ে আসে মারুতি। এর পরে এর প্রতিটি ভার্সনে আপগ্রেড হয়েছে। চিলি, কেনিয়া, ইউরোপের কিছু দেশে রফতানি করা হয় জিপসি।
এই গাড়ি যে কোনও ধরনের রাস্তায় চলতে পারে। ১.৩ লিটারের পেট্রোলচালিত এই গাড়িতে ৮০ বিএইচপি ইঞ্জিন লাগানো রয়েছে। ভারতীয় সেনার খুব পছন্দের গাড়ি এই জিপসি। তার কারণও রয়েছে। পাহাড়ি পথে বা বরফে ঢাকা পথে অন্যান্য এসইউভির তুলনায় জিপসি গাড়ি দ্রুত ছুটতে পারে। এই গাড়ির সফট ভার্সন ওজনে ৯৮৫ কিলোগ্রামের মতো আর হার্ড ভার্সনের ওজন ১০২০ কিলোগ্রামের কাছাকাছি। ফলে হেলিকপ্টার বা এয়ারক্রাফ্টে চাপিয়ে এই গাড়ি বয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এই গাড়ি ৫০০ কিলোগ্রামের বেশি ওজনও বইতে পারে।
সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, জিপসি নিয়ে নানা অভিযোগ জমা প়ড়লেও ভারতীয় সেনার কাছে এই গাড়ির চাহিদা আগের মতোই ছিল। দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় টহল দেওয়ার জন্য জিপসি গাড়ির উপরেই ভরসা রেখেছিল সেনাবাহিনী। এই গাড়ির আপগ্রেডেড ভার্সনের জন্য বরাত দেওয়া হয়েছিল সুজুকিকে। সেই মতোই গাড়ির আধুনিকীকরণ করে সেনাবাহিনীতে এর প্রথম ইউনিট পাঠানো হয়েছে।
অতিমহামারীর ফলে অর্থনীতির যে ক্ষেত্রগুলি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের অন্যতম গাড়ি শিল্প। মহামারীর আগেই ওই শিল্প সংকটে পড়েছিল। মহামারী শুরু হওয়ার পরে গাড়ি উৎপাদনকারী সব কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। তবে মারুতি সুজুকি জানায় মে মাসে তারা বিক্রি করেছে ১৩ হাজার ৮৬৫ টি গাড়ি। মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে গাড়ি উৎপাদন শুরু করেছে সুজুকি মোটর গুজরাত।