Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

৪০৩ বার প্লেটলেট দিয়েছেন, নিয়ম মেনে রক্তদান, হাজার হাজার রোগীর প্রাণ বাঁচিয়েছেন মহেশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশবাসীর সেবা করার অঙ্গীকার নিয়েছেন তিনি। নিজের রক্ত দিয়ে। না ব্যবসা নয়। কোনও কিছুর বিনিময়ে নয়। সেই ১৯৮৯ সাল থেকে স্বেচ্ছায় রক্তদান করছেন এই যুবক। ২০০৬ সাল থেকে প্লেটলেট ডোনেট করছেন। রক্তের বিপুল আকাল মেটানো হয়তো সম্ভব নয়,

৪০৩ বার প্লেটলেট দিয়েছেন, নিয়ম মেনে রক্তদান, হাজার হাজার রোগীর প্রাণ বাঁচিয়েছেন মহেশ

শেষ আপডেট: 16 September 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশবাসীর সেবা করার অঙ্গীকার নিয়েছেন তিনি। নিজের রক্ত দিয়ে। না ব্যবসা নয়। কোনও কিছুর বিনিময়ে নয়। সেই ১৯৮৯ সাল থেকে স্বেচ্ছায় রক্তদান করছেন এই যুবক। ২০০৬ সাল থেকে প্লেটলেট ডোনেট করছেন। রক্তের বিপুল আকাল মেটানো হয়তো সম্ভব নয়, তবে সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে এক ডাকেই সাড়া দেন এই যুবক। মহেশ শিরোধকর। ঠাণের বাসিন্দা মহেশকে এখন চেনে মুম্বই, পুণে, ঠাণের প্রায় সব ব্ল্যাড ব্যাঙ্কই। ঠাণের একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন মহেশ। মুম্বই, ঠাণে, কল্যাণ, নভি মুম্বই এবং পুণের ৩৮টি ব্লাড ব্যাঙ্কে নিজের নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন তিনি। নির্ধারিত সময় গিয়ে রক্তদান তো করেনই, বিরল গ্রুপের রক্তের দরকার পড়লেও ডাক পড়ে মহেশের। নিজেই উদ্যোগ নিয়ে দাতার খোঁজ এনে দেন তিনি। মহেশের কথায়, ‘‘মুম্বইতে প্লেটলেটের দাম অনেক বেশি। বহু মানুষকে মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করে মরতে দেখেছি। তাই প্লেটলেট দানেরও সিদ্ধান্ত নিই। ২০০৬ সালের মে মাস থেকে প্লেটলেট ডোনেট করছি আমি।’’ এখনও অবধি মোট ৪০৩ বার প্লেটলেট দান করেছেন মহেশ। মুম্বই, পুণের বহু ব্লাড ব্যাঙ্কেই প্লেটলেটের দাম আকাশছোঁয়া। মহেশ জানিয়েছেন,বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে মাত্রাতিরিক্ত দামে প্লেটলেট বিক্রির জেরে রোগীর পরিজনদের নাভিশ্বাস উঠছে। দেশের বিভিন্ন শহরে ডেঙ্গি আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।আক্রান্তের সংখ্যা বছর বছর বাড়ছে। বাড়ছে আমাদের চারপাশে ডেঙ্গিতে মৃত্যুর খবরও। মহেশের কথায়, ২০০৬ সালে টাটা ক্যানসার হাসপাতালে প্রথম প্লেটলেট দান করেন তিনি। এক মরণাপন্ন রোগীকে বাঁচান। মহেশ বলেছেন, ‘‘রক্ত দেওয়ার আগে আমার এইচ১এন১ টেস্ট হয়। মানুষকে বাঁচানোই আমার মূল লক্ষ্য। রক্তদানের ব্যাপারে অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে ইত্যাদি। কিন্তু আমার তেমন কিছু হয়নি। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই মাসে দু’বার প্লেটলেট ডোনেট করি। এই কাজে সকলেরই এগিয়ে আসা উচিত। ’’ মহেশের স্ত্রীও তাঁর মতো প্লেটলেট দাতা। স্বামীর সঙ্গে মাসে দু’বার রক্তদান করেন তিনিও। জাসলক হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তার বলেছেন, শুধু মাত্র ডেঙ্গি নয়, ক্যানসার বা অনেক দুরারোগ্য ব্য়ধিতে রোগীদের ইন্টারনাল ব্লিডিং হয়। প্লেটলেট নষ্ট হয়ে যায়। তখন দ্রুত রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়। মহেশের মতো মানুষরা এগিয়ে এলে রক্তের এত সঙ্কট মেটানো সম্ভব হবে।

```