
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 4 March 2025 15:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্ত্রীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ, তারপর আত্মহত্যা স্বামীর। বেঙ্গালুরুর ইঞ্জিনিয়ার অতুল সুভাষের (Atul Subhash Case) ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল দেশে। তারপর একে একে এই ধরনের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। এবার সেই অতুল-কাণ্ডের ছায়া বাংলাতেও (West Bengal)। ছেলের আত্মহত্যায় বৌমাকেই দায়ী করেছেন শ্বশুর। তাঁর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) হাতারপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন রাজকুমার সাধুকা। জিনিয়ার সঙ্গে তাঁর ২০ বছরের বিবাহিত জীবন। স্বামী-স্ত্রীর জল এবং মুদির দোকান ছিল। মঙ্গলবার নিজের ঘরেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন রাজকুমার। পুলিশ জানিয়েছে, জিনিয়া তাঁদের জানিয়েছেন, কিছু একটা আন্দাজ করতে পেরে তিনি ঘরে ঢুকেছিলেন। তখন তিনি ঝুলন্ত অবস্থায় রাজকুমারকে উদ্ধার করেন। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে শেষরক্ষা হয়নি।
পুলিশ সূত্রে খবর, আত্মহত্যা করার আগে রাজকুমার মোবাইলে লিখেছিলেন যে তিনি আত্মহত্যা করবেন। কিন্তু কাউকে দোষারোপ করেননি। যদিও তাঁর বাবা সরাসরি এই ঘটনার জন্য অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বৌমা জিনিয়ার দিকেই। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ছেলেকে মানসিক অত্যাচার করত জিনিয়া। এমনকী সমস্ত টাকা-পয়সা কেড়ে নিত। সবকিছু সহ্য করতে না পেরেই রাজকুমার আত্মঘাতী হয়েছে। শ্বশুরের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ মামলা রুজু করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
এই ঘটনা নতুন করে অতুল সুভাষের ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। অতুল স্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ করে ২৪ পাতার চিঠি লিখে এবং ভিডিও বার্তা দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর স্ত্রী গ্রেফতার হলেও পরে তিনি জামিন পান। যদিও অভিযোগের তদন্ত এখনও চলছে। অতুল সুভাষের ঘটনা ছাড়াও দেশের একাধিক প্রান্ত থেকে বিগত কয়েক মাসে এমন ঘটনার খবর সামনে এসেছে। তবে সেই অর্থে বিচার এখনও পর্যন্ত হয়নি। এবার পশ্চিমবঙ্গেও কার্যত একই অভিযোগ উঠল।