দ্য ওয়াল ব্যুরো : গুজরাতের সুরাট থেকে বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলেন একদল পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁদের বাড়ি ঝাড়খণ্ডে। ওই শ্রমিকদের একজনকে মারধর করার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বাকিদের থেকেও তিনি ট্রেনের তিনগুণ ভাড়া চেয়েছেন বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের দাবি, ওই ব্যক্তি বিজেপির সদস্য। বিজেপি একথা অস্বীকার করেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রাজেশ বর্মা। ফেসবুকে তিনি নিজেকে বিজেপি কর্মী বলে দাবি করেছেন। সেখানে অন্যান্য বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর ছবি আছে। শ্রমিকদের অভিযোগ, রাজেশ ট্রেনভাড়া বাবদ তাঁদের থেকে ১ লক্ষ টাকার বেশি নিয়েছিলেন। বাসুদেব বর্মা নামে এক শ্রমিক রাজেশের কাছে জানতে চান, কবে তাঁরা ট্রেনের টিকিট হাতে পাবেন। তখনই রাজেশ ও তাঁর সঙ্গীরা লাঠি দিয়ে তাঁকে মারধর করেন।
কংগ্রেসের এক নেতা বাসুদেব বর্মার একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায়, ওই শ্রমিকের মাথা থেকে রক্ত বেরোচ্ছে। বাসুদেব বর্মা বলেন, “আমরা রাজেশকে ১ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। পরে আমি তার কাছে টিকিট চাইলাম। সে বলল, টিকিট দেব না, টাকাও ফেরত দেব না। তোমার যা খুশি করে নাও। সে প্রতিটি টিকিটের দাম চাইছিল ২ হাজার টাকা। আমি প্রতিবাদ করতেই সে ও তার বন্ধুরা লাঠি, পাথর দিয়ে আমাকে মারধর করে।”
https://twitter.com/SaralPatel/status/1258674842229968898
সুরাট পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসার এ এম পারমার বলেন, রাজেশের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “রাজেশ বর্মা ঝাড়খণ্ড থেকে আসা শ্রমিকদের জন্য রেলের টিকিট বুকিং-এর দায়িত্ব নিয়েছিল। বাসুদেব বর্মা রাজেশের অফিসে গিয়ে জানতে চেয়েছিলেন, কবে টিকিট হাতে পাবেন। রাজেশ তাঁকে মারধর করে। তার নামে লিম্বায়াত থানায় এফআইআর করা হয়েছে।”
লকডাউনের ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক আটকে পড়েছেন। তাঁদের অনেকেরই রোজগার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গত সপ্তাহে সরকার ভিন রাজ্য থেকে যাওয়া শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ট্রেনের বন্দোবস্ত করে।