ভোটার তালিকা (West Bengal Assembly Election 2026) থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে (SIR) বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদহের মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা।

বিডিও অফিস চত্বরে এনআইএ
শেষ আপডেট: 3 April 2026 17:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালদহে অশান্তির (Malda Incident) ঘটনার তদন্তে কালিয়াচক বিডিও অফিসে (BDO Office) পৌঁছল এনআইএ-এর তদন্তকারী দল। তার আগে মোথাবাড়ি থানায় যান আইজি সোনিয়া সিং, সঙ্গে ২৪ জন অফিসার।
ভোটার তালিকা (West Bengal Assembly Election 2026) থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে (SIR) বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদহের মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারককে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতর রাত পর্যন্ত আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। হাইকোর্টের (High Court) প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টকে জানান। তার পরেই বৃহস্পতিবার সকালে এসআইআর মামলাটি শুনতে চায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।
এসআইআরের (SIR News) কাজে যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা দিতে না পারায় রাজ্য প্রশাসনকে ভর্ৎসনা করেন দেশের প্রধান বিচারপতি। মালদহের ঘটনায় সিবিআই বা এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করানোর কথা কমিশনকে বলে শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে আরও একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে তারা।
নির্বাচন কমিশনকে বলা হয়েছে, এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের (বা বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের) পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে হবে। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে তাঁদের বাসভবনেরও। নিরাপত্তাগত ঝুঁকি থাকলে তা পর্যালোচনা করে বিচারকদের পরিবারকেও সুরক্ষিত রাখার বন্দোবস্ত করতে বলা হয়েছে কমিশনকে। বৃহস্পতিবার মালদহের পাশাপাশি রাজ্যের আরও কিছু জায়গায় সংঘাত শুরু হয়েছে। এর পরেই বৃহস্পতিবার বিকেলে সিইও, রাজ্য পুলিশ এবং প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে কমিশন আইনশৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।
তার পরপরই নির্বাচন কমিশন ঠিক করে নেয়, ঘটনার তদন্ত করবে এনআইএ। সেই মোতাবেক শুক্রবার বেলা গড়ানোর আগেই কলকাতায় এসে পৌঁছন এনআইএ-র দুঁদে অফিসার আইজি সোনিয়া সিং ও ২৪ জন অফিসার।
বৃহস্পতিবার মালদহের ঘটনায় (Malda Incident) এনআইএ তদন্তের (NIA) নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছিল, সিবিআই অথবা এনআইএ-র মতো স্বাধীন সংস্থাকে দিয়েই তদন্ত করাতে হবে কমিশনকে (Kaliachak Incident)। এর পরেই এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করানোর (Kaliachak NIA Investigation) সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লির নির্বাচন সদন।