পুলিশ জানিয়েছে, বুধবারের ঘটনায় মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 12 June 2025 10:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে বুধবার অশান্ত হয়ে ওঠে মহেশতলা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আক্রান্ত হয় পুলিশও। ঘটনায় জখম পুলিশের একাধিক আধিকারিক ও কর্মী। এরপরই এলাকার দখল নেয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।
বৃহস্পতিবার সকালেও এলাকায় পুলিশি টহল চলছে। বুধবারের ঘটনার জেরে এদিন এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবারের ঘটনায় মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। অশান্তি সৃষ্টি এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১২জনকে কলকাতা পুলিশ এবং ২৮জনকে রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের আজ আদালতে হাজির করানো হবে।
একই সঙ্গে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে গুজব না ছড়ানোর জন্যও পুলিশের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, "শান্তি বজায় রাখার দায়িত্ব সকলের। কেউ শান্তিভঙ্গের চেষ্টা করলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে বুধবার মহেশতলায় গোলমালের পরিস্থিতি তৈরি হয়। বেশ কয়েকটি দোকান ও বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামলাতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে উন্মত্ত জনতা। তাতে জখম হন একাধিক পুলিশ কর্মী। এদের মধ্যে এক মহিলা পুলিশ কর্মীর আঘাত গুরুতর।
মহেশতলার ঘটনা নিয়ে বুধবার সন্ধেয় দুঃখপ্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। 'দুর্ভাগ্যজনক' উল্লেখ করে এক্ষেত্রে পুলিশের দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন। বলেন, 'কখনও কখনও এ ধরনের ঘটনা হয়, পুলিশ প্রশাসন যতেষ্ট সংবেদনশীলতার সঙ্গে কড়া মনোভাব নিয়ে গোটা বিষয়টা দেখছে। পুলিশ আধিকারিক জখম হয়েছেন। কিন্তু প্রশাসন এখানে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। এমন কিছু করেনি যাতে পরিস্থিতি আরও বেড়ে যায় বা জটিল হয়ে যায়।'
তবে গোটা ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা দেখছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মহেশতলার ঘটনার প্রতিবাদে আজ বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।