
শেষ আপডেট: 31 March 2024 14:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: থানায় সটান ঢুকে এক মহিলা বললেন, “আমি খুন করেছি শাশুড়িকে, আমাকে গ্রেফতার করুন।” রবিবার সকালে একটু ঢিলেঢালাভাবেই কাজ শুরু করছিলেন পুলিশ কর্মীরা। আচমকা একজন মহিলার মুখে এমন কথা শুনে সকলে নড়েচড়ে বসেন। মহিলাকে থানায় আটকে রেখে তাঁর বলা ঠিকানায় যান পুলিশ কর্মীরা। দেখেন এক বৃদ্ধা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বাড়িতে।
এই ঘটনা মহেশতলার। দক্ষিণ ২৪ পরগনা মহেশতলা পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লার গেট এলাকায় সাতসকাল থেকেই হইচই কাণ্ড। বৃদ্ধার খুন হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তে বহু লোক জড়ো হয়েছেন বাড়ির সামনে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সাশুড়ি-বৌমার ঝামেলা লেগেই থাকত। বৃদ্ধা নাকি প্রায়ই পাড়ার লোকজনকে বলতেন যে বৌমা শারীরিক নির্যাতন করে। বাড়ি থেকে চেঁচামেচি, কান্নার আওয়াজ প্রায়ই শোনা যেত। শনিবার রাতেও নাকি অশান্তি চরমে ওঠে। তারপর রবিবার সকাল হতে না হতেই বৌমা ভারতী নস্কর চলে যান থানায়।
মহেশতলা জিনজিরা ফাঁড়িতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন বৌমা ভারতীদেবী। স্বীকার করেছেন যে তিনিই তাঁর শাশুড়ি যমুনা নস্করকে (৭৭) খুন করেছেন। ভারতীদেবীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বৃদ্ধার ছেলে জানিয়েছেন, তিনি এসব ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। বাড়িতে ছিলেন না সে সময়। ফিরে এসে শুনেছেন তাঁর মা খুন হয়েছেন। তাঁর স্ত্রীই খুন করেছেন। বৃদ্ধার ছেলেকেও জেরা করছে পুলিশ।