
শেষ আপডেট: 5 February 2024 20:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলা, ইংরেজির পর ইতিহাস পরীক্ষা। মাধ্যমিকে প্রশ্ন ফাঁসের বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। পরপর তিনটি বিষয়ের পরীক্ষাতেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। আর এবারও ঘটনাস্থল সেই মালদহ। এদিন মালদহের তিন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
সোমবার ইতিহাস পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্নপত্রের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, প্রশ্নপত্রের কিউআর কোড ঝাপসা করে ছবি তুলে তা নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে দেয় তিন পরীক্ষার্থী। অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে তাদের সব পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পর্ষদ।
ইতিহাসের প্রশ্নপত্রে থাকা কিউআর কোড ঝাপসা করে ছবি তুলেতে চেষ্টা করেছিল তিন পরীক্ষার্থীরা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পর্ষদ সূত্রের খবর, বিশেষ কৌশলে কিউআর কোড স্ক্যান করা হয়। এরপরই কোন জায়গার পরীক্ষার্থীর কাছে ওই প্রশ্নপত্র ছিল তা জানতে পারেন পর্ষদের কর্মীরা। প্রশ্নপত্রে থাকা ইউনিক সিরিয়াল নম্বর থেকে পর্ষদের হাতে সব তথ্য চলে আসে। সেই মতো স্কুলের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযুক্ত তিন পরীক্ষার্থীকে চিহ্নিত করে পর্ষদ। বাতিল করা হয় তাদের সব পরীক্ষা।
বিগত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে পর্ষদকে বারে বারে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রশ্নপত্র রুখতে এবার প্রশ্নপত্রে ‘ম্যাজিক নম্বর’ বা ইউনিক আইডির ব্যবহার করছে পর্ষদ। আগেই পর্ষদের তরফে সতর্ক করা হয়েছে, মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্রের প্রতিটি পাতায় ক্রমিক নম্বরের কোড লুকনো থাকবে। কোনও পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্রের ছবি তুললে সেই ছবি দেখে বোঝা যাবে কে ছবিটি তুলেছে। আর তা ধরা পড়লেই ওই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা এই বছরের জন্য পুরোপুরি বাতিল হয়ে যাবে। কিন্তু এত কিছুর পরও প্রথম দিন থেকে একের পর এক প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এসেই চলেছে। আর সব ক্ষেত্রেই ঘটনাস্থল সেই মালদহ।
এর আগে ইংরেজি পরীক্ষার দিন মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় একটি চক্রের হদিস পায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদ কর্তারা জানতে পারেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় গ্রুপ খুলে মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্ন ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।