
শেষ আপডেট: 27 March 2023 10:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তালিবান অধিগ্রহণের পর থেকেই কাবুল যেন ফিরে গিয়েছে মধ্য যুগে। ইতিমধ্যেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে কোনও রকম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে লেখাপড়া করতে পারবে না মেয়েরা (Afgan girl students), এমন ফতোয়া জারি হয়েছে তালিবানদের তরফে। তবে ইন্টারনেটের (internet) ব্যবহারের বিষয়ে কোনরকম বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়নি।
সেক্ষেত্রে, ঘরে বসে অনলাইন ক্লাসের (online class) মাধ্যমেই নিজেদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে আফগান ছাত্রীদের কাছে। তবুও তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন অনলাইন ক্লাসের পড়াশোনা থেকে। এর কারণ ঘন ঘন বিদ্যুৎ ছাঁটাই ও কাবুলের দুর্বল ইন্টারনেট পরিষেবা।
এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ পরিষেবার চুড়ান্ত বেহাল দশা কাবুলে। দিনের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ তো থাকেই না এমনকি অনেক ক্ষেত্রে সারাদিনের মধ্যে মাত্র এক ঘন্টা বিদ্যুৎ পরিষেবা পান নাগরিকরা। এই পরিস্থিতিতে অনলাইন ক্লাস করে নিজের লেখাপড়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়াও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে আফগান ছাত্রীদের কাছে।
তবে, কাবুলের স্কুলগুলিতে অনলাইন ক্লাসের ছাত্রীর সংখ্যা তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বেড়েছে ২০২১ সালে কাবুলের তালিবান অধিগ্রহণের পর। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে ছাত্রীর নির্ধারিত সংখ্যা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও অনলাইন ক্লাসে যোগদানের আবেদনপত্র আসছে। তবে, বেহাল ইন্টারনেট পরিষেবা ছাত্রীদের স্বপ্ন পূরণে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
একটি সমীক্ষায় ধরা পড়েছে যে এই মুহূর্তে ১৩৭টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে ধীরগতির মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা রয়েছে আফগানিস্তানে। পাশাপাশি, ১৮০টি দেশের মধ্যে সামগ্রিক বিচারে ধীরগতির ইন্টারনেট পরিষেবায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তালিবান অধিকৃত দেশটি। তবু, এই আকালেও স্বপ্ন দেখছেন কাবুলিওয়ালা'র দেশের মেয়েরা। প্রয়োজনে, ধনকুবের ইলন মাস্কের দরবারে নিজের দেশের বেহাল ইন্টারনেট পরিষেবার কথা পৌঁছে দিতে চান তাঁরা। এখন দেখার, শিক্ষিত হওয়ার এই প্রানপণ লড়াইয়ে কবে জয় লাভ করতে পারেন তাঁরা।
হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হায়দরাবাদের শেষ চিতার! সৌদির রাজপুত্রের দেওয়া উপহার ছিল সেটি