
জুনিয়র ডাক্তারদের মঞ্চ - ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 6 December 2024 16:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব হওয়া জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট যে একটা রাজনৈতিক সংগঠন তা প্রথম থেকে দাবি করে এসেছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন। তবে এতদিন কোনও রাজনৈতিক দলের নাম তাঁরা নেয়নি। এবার নিল। অ্যাসোসিয়েশনের তরফে স্পষ্ট দাবি করা হয়েছে, এই অনিকেত-দেবাশিসদের সংগঠন আদতে বাম, অতিবাম এবং নকশালপন্থীদের মিলিত সমন্বয়ে তৈরি।
জুনিয়র ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন এই ডক্টরস ফ্রন্টের পাল্টা সংগঠন হিসেবেই তৈরি হয়েছিল। তবে অভিযোগ তোলা হয়, থ্রেট কালচারে যারা অভিযুক্ত, যাদের সঙ্গে শাসক দলের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে, তারাই এই সংগঠনের মুখ। কিন্তু সেই দাবি নস্যাৎ করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন বলে, নিজেদের অরাজনৈতিক বলে আদতে রাজনৈতিক মাটিই শক্ত করতে চাইছে ফ্রন্ট। আরজি কর আন্দোলনের নাম করে টাকা তুলে আদতে নিজেদের পকেট ভরছে।
সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্য বলেন, ডক্টরস ফ্রন্টের মধ্যে বামপন্থীদের ছায়া রয়েছে যারা শুরু থেকে সরকার, মানুষ বিরোধিতা করে এসেছে। ৩৪ বছরের শাসনকালে যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, খুন, ধর্মঘট করে অরাজগতা তৈরি করার অভিযোগ রয়েছে, তারাই এই সংগঠনের পরিচালক! এমনকী পশ্চিমবঙ্গ সিপিএম-এর সমাজ মাধ্যম থেকে ডক্টরস ফ্রন্টের সাংবাদিক বৈঠক দেখানো হয়েছে বলেও দাবি করছেন তাঁরা। এই প্রেক্ষিতেই বক্তব্য, ডক্টরস ফ্রন্ট এখন আর নেই, ওটা বাম-ফ্রন্ট হয়ে গেছে!
বিগত দু-আড়াই মাস ধরে আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মাকেও ডক্টরস ফ্রন্টের নেতারা বিভ্রান্ত করে রেখেছে বলে দাবি করেছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন। তাদের বক্তব্য, ৯ আগস্টের ঘটনা নিয়ে যে যে দাবি ফ্রন্টের তরফে করা হয়েছে তার অনেক কিছুই সিবিআই চার্জশিটে নেই। তাঁরা আদতে মিথ্যাচার করে রাজনৈতিক জমি দখলের চেষ্টা করেছে বলেই অভিযোগ করা হচ্ছে।
শুধু নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গেই নয়, বাংলার জনতার সঙ্গেও ডক্টরস ফ্রন্ট বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে দাবি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের। ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে সাধারণ মানুষের ভাবাবেগ ব্যবহার করে আদতে তাঁরা নিজেদের রাজনৈতিক জমি দখল করতে চেয়েছে। এই ডক্টরস ফ্রন্টের অনেকে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত বলেই দাবি করা হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনের কটাক্ষ, ডক্টরস ফ্রন্ট এতদিন ধরে নির্যাতিতার নামে রাজনীতি করে এখন সিপিএমের দ্রোহের বার্থ সার্টিফিকেট নিয়ে মাঠে নেমেছে।