
শেষ আপডেট: 13 November 2023 00:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনি পথে বাজি যেন বাজার পর্যন্ত পৌঁছতে না পারে, তার জন্য ছিল কড়া নজরদারি। বাজি বিক্রি রুখতে জারি ছিল ধরপাকড়। তা সত্ত্বেও কালীপুজোর রাতে শব্দবাজির দাপট কমল না কলকাতায়। দীপাবলির রাত বাড়তেই পাল্লা দিয়ে বাড়ল বাজির দাপটও।
বহু প্রচার, কড়াকড়ির পরেও কালীপুজোর রাতে সেই একই ছবি শহর কলকাতা ও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। বাতাসে বারুদের গন্ধ। রাত যত বাড়ছে ততই বাড়ছে শব্দবাজির তাণ্ডব। উত্তর থেকে দক্ষিণ, শহরের কোনও প্রান্তই শব্দবাজির লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েনি। যদিও বাজির তাণ্ডবের অভিযোগ পেলেই পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলেই পুলিশ সূত্রের খবর।
লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সাড়ে ন’কেজি শব্দ বাজি আটক করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ২২ জনকে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অন্যদিকে, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কাছেও রবিবার মোট আটটি বাজি ফাটানোর অভিযোগ এসেছে। তার মধ্যে দু’টি কলকাতা এবং বাকি ছ’টি জেলা থেকে এসেছে।
রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেভাবে শব্দবাজি ফাটতে শোনা না গেলেও রাত বাড়তেই ধীরে ধীরে একাধিক এলাকায় পরপর সশব্দে বাজি ফাটতে থাকে। বাজির দাপটে শহরের অনেক এলাকাতেই শব্দদূষণের মাত্রা পেরিয়ে যায়। কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহানগরের ক্যানাল ইস্ট রোড, সার্কুলার রোড, উল্টোডাঙ্গা বাসন্তী কলোনিতে ব্যাপক শব্দবাজির অভিযোগ এসেছে। পাশাপাশি ইএম বাইপাস লাগোয়া দত্তাবাদ কলোনি, ভি আইপি নগর, টেগোর পার্ক এলাকাতেও একইভাবে বিভিন্ন রকমের শব্দবাজির ফাটে।
শহরের আবাসনগুলিতেও বেআইনিভাবে শব্দবাজি ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে। যদিও লালবাজার সূত্রের খবর, শব্দ তাণ্ডব রুখতে সব রকম ভাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। শহর পাহারা দিতে প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশকর্মী দায়িত্বে ছিলেন। ডিসি এবং এসি পদমর্যাদার প্রায় ৫৬ জন অফিসারও রয়েছেন। রবিবার সকাল থেকেই নিয়ম মানাতে কড়া হাতে পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ।