
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 5 April 2025 13:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার দুপুরে বিধাননগর (Rajarhat) পুর এলাকার তিন নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নারায়ণপুরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাপাতে দেখা যায় দুষ্কৃতীদের। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর সামনে আসতেই চাঞ্চল্য চড়ায় এলাকায়। বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়ের (Tapas Chatterjee) নির্দেশেই গোটা ঘটনা ঘটেছে বলে সরাসরি অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় তাজ ইলিয়াস জনি ও সাজিদ খান নামে দু'জনকে পুলিশ শুক্রবার রাতেই মধ্যমগ্রাম থেকে গ্রেফতার (Arrest) করেছে। তাজের থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনা হল, রাজারহাটের নারায়ণপুর এলাকায় তৃণমূল কর্মী হাজি ইসরার আহমেদকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাও তৃণমূলেরই সমর্থক।
হাজি ইসরার আহমেদকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি চলে বলে অভিযোগ। অল্পের জন্য রক্ষা পান বিধাননগর (Bidhannagar) পুরসভার চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্তের অনুগামী। আর সেই অনুগামী হওয়ার জন্যই নাকি বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায় লোক পাঠিয়ে গুলি তাঁর উপর গুলি চালিয়েছে, এমনই অভিযোগ উঠেছে। যদিও তাপস চট্টোপাধ্যায় যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
হাজি ইসরারের কথায়, ইদের দিন যেহেতু তিনি সব্যসাচী দত্তকে বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছিলেন, সেই জন্যই তাপস চট্টোপাধ্য়ায় তাঁদের উপর খাপ্পা। তৃণমূল কর্মীর কথায়, "কালই তাপসবাবু আমার বাবার নাম তুলে গালিগালাজ করেছে, আর আজকে আজাদ বলে একটা গুন্ডা পাঠিয়েছে।"
সব্যসাচী দত্ত জানান, যে তিনি ইসরার বাড়িতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আজাদ নামে কাউকেই তিনি চেনেন না। বিধাননগর পুরসভার চেয়ারম্যানের কথায়, "কোন আজাদের কথা বলছে জানি না। তবে ইসরারকে চিনি। ওঁর বাবা ৯২ বছরের এক হাজি সাহেব। ইদের দিন ঘুরতে ঘুরতে ওদের বাড়ি গিয়েছিলাম। ওঁর বাবার থেকে আশীর্বাদ নিয়ে এসেছি।"
এর পরই হামলার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ইসরারের আত্মীয়দের দাবি, শুক্রবার দুপুরে তাঁদের বাড়ি লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। অভিযোগ, ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি চালে নারায়ণপুর এলাকায়।