শিক্ষক দিবসে সরস্বতী ভাণ্ডার ও সংবেদনের উদ্যোগে সংবর্ধিত হলেন বিশেষ শিশুদের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

শেষ আপডেট: 8 September 2025 18:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিক্ষক মানেই দিশারী। তিনি শিক্ষার্থীর মনে জাগিয়ে তোলেন কৌতূহল, জ্ঞানের প্রতি টান আর প্রজ্ঞার আলো। কিন্তু সমাজে এক বিশেষ শ্রেণির শিক্ষক আছেন, যাঁরা সাধারণের নজরে আসেন না— তাঁরা হলেন বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের শিক্ষক।
বিনা পারিশ্রমিকে, নিরলস ধৈর্য নিয়ে প্রতিদিন এই শিক্ষকেরা বোঝার চেষ্টা করেন প্রতিটি শিশুর মন ও শরীর, তারপর তার সঙ্গে মিলিয়ে দেন জ্ঞানের আলো। অথচ শিক্ষক দিবসের মঞ্চে তাঁদের কথা কতজনই বা মনে রাখে? সমাজের অভ্যেসে প্রদীপের নিচের অন্ধকার থেকেই যায়।
এই অন্ধকারে আলো জ্বালানোর জন্যই অন্যভাবে ভাবলেন কবি-সাহিত্যিক-গীতিকার ঝর্ণা ভট্টাচার্য্য। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সংস্থা ‘সরস্বতী ভাণ্ডার’ এবং সংগঠন ‘সংবেদন’-এর উদ্যোগে ৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবসের দিন, বিশেষ শিশুদের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দেওয়া হলো সংবর্ধনা। কেবল অভিনন্দনেই থেমে থাকেননি ঝর্ণা; বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় নানা উপহারও তুলে দেন তাঁদের হাতে।
ঝর্ণা ভট্টাচার্যের কথায়, “যাঁদের ওপর আলো পড়ে না, তাঁদের কাছে আলো পৌঁছে দেওয়াই সরস্বতী ভাণ্ডারের লক্ষ্য।”
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুণীজনেরা। ছিলেন রোটারি ক্লাব অফ বেনেভোলেনসের সদস্যরা, উপস্থিত ছিলেন এমসিকেভি-র সিইও পার্থ সারথি চক্রবর্তী, আইনজীবী সৌরভ সাহা চৌধুরী, জাতীয় সভাপতি (WHRPC), অরূপ রতন আচার্য্য (সেঠ আনন্দরম জয়পুরিয়া কলেজের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের প্রধান)-সহ আরও বহু বিশিষ্ট মানুষ। তাঁরা সকলেই প্রত্যক্ষ করলেন এই অভিনব উদ্যোগ, যেখানে শিক্ষক দিবসের আসল শ্রদ্ধা জানানো হলো তাঁদের, যাঁরা নীরবে বিশেষ শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন।
ঝর্ণা ভট্টাচার্য নিজ হাতে একে একে বিশেষ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেন। সমাজের অগোচরে থাকা সেই শিক্ষকদের মুখে ফুটে ওঠে অকৃত্রিম আনন্দের হাসি।