
সুশান্ত ঘোষ।
শেষ আপডেট: 16 November 2024 10:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রীতিমতো পরিকল্পনা করেই কসবার তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে খুনের ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা। ঘটনার তদন্তে নেমে এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যে কলকাতার বন্দর এলাকা থেকে এক ট্যাক্সি চালককে আটক করেছে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ট্যাক্সিটি।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সুশান্ত ঘোষকে খুন করতে বিহারের বৈশালি থেকে ৫-৬ জন দুষ্কৃতীকে ভাড়া করে আনা হয়েছিল। বাকিদের খোঁজে ইতিমধ্যে কলকাতার পাশাপাশি বিহারেও রওনা দিয়েছে পুলিশের দল।
শুক্রবার রাতে নিজের বাড়ির সামনে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান কসবার তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। ফিল্মি কায়দায় পায়ে হেঁটে একেবারে সামনে এসে গুলি ছোড়ার চেষ্টা করে এক নাবালক। বন্দুক লক হয়ে যাওয়ায় গুলি বেরোয়নি, বরাতজোরে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন সুশান্তবাবু।
পরে পিছু ধাওয়া করে ওই নাবালককে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। জেরায় ধৃত নাবালক পুলিশকে জানায়িছে, বিহারের বৈশালী থেকে তাঁরা ৫-৬ জন এসেছিল। মহম্মদ ইকবাল নামে এক ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে সুশান্ত ঘোষকে খুনের কন্ট্রাক্ট দিয়েছিল।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে ধরা পড়ার পর বাসিন্দাদেরও অভিযুক্ত বলেছিলেন,"আমাকে মহম্মদ ইকবাল পাঠিয়েছিল। কাকে মারতে হবে তার ছবি সঙ্গে দিয়েছিল। এর বেশি কিছু জানি না।"
কে এই ইকবাল? প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ঘটনার নেপথ্যে যিনি রয়েছেন তিনি সম্ভবত নিজের নাম ভাঁড়িয়েছেন। মহম্মদ ইকবার আসলে ভুয়ো নাম।
ধৃতকে জেরা করে শুক্রবার রাতেই বন্দর এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে আটক করা হয় এক ট্যাক্সিচালককে। খুনের চেষ্টার ঘটনায় ট্যাক্সি চালকের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এদিকে হামলার ঘটনার পর রাতেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয় তৃণমূল কাউন্সিলরের। পুলিশ সূত্রের খবর, এখন থেকে চারজন সশস্ত্র রক্ষী থাকবেন সুশান্ত ঘোষের সঙ্গে।
সুশান্তর কথায়, "আমরাও মনে হচ্ছে, পুরো ঘটনাটা হয়েছে রেকি করে। আমি যে সন্ধেয় একা রয়েছি, এলাকা থেকে নিশ্চয়ই এখবর গিয়েছিল। তারপরই ওরা এসেছিল।"