
শেষ আপডেট: 27 November 2021 09:04
অবৈধভাবে গাছ কাটা, মাছ ধরা তো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরোবরের মূল ফটক সন্ধে ৬ টার সময় বন্ধ হয়ে গেলেও, পিছন দিকের দরজা দিয়ে সহজেই ঢোকা যায় ভেতরে। লোকের এমন অবাধ আনাগোনায় যেমন বাড়ছে অপরাধের সংখ্যা, তেমনই বাড়ছে সরোবরের অন্দরে আবর্জনা।
জলের মধ্যে কচুরিপানা বেড়ে যাওয়ায় কমছে জলের অক্সিজেনের মাত্রাও। যার জেরে মৃত্যু ঘটছে সরোবরের মধ্যে থাকা মাছের। আর তাতেই ভারসাম্য হারাচ্ছে সরোবরের পরিবেশের।
সরোবরের পরিবেশ রক্ষার্থে দীর্ঘদিন লড়াই করছে এলাকার মানুষ থেকে পরিবেশবিদরা। সাময়িক প্রতিকার হলেও অদূর ভবিষ্যতের চিত্র হয়ে পড়ছে আগের মতই। এই সরোবরের এক নিরাপত্তাকর্মীর কথায়, 'এত বড় লেকে এই কয়জন সিকিউরিটি কি করে নজর রাখব?'
সত্যিই তাই, মূল ফটকের কাছে থাকলেও ভেতরে চোখে পড়ে না তেমন কোনও নিরাপত্তাকর্মীকে। আর তার সুযোগেই বাড়ছে অপরাধ, বাড়ছে জঞ্জালের স্তূপ।
রোজ সরোবরে আসা প্রাতঃভ্রমণকারী রতন চন্দের কথায়, 'আমরা যখন সকাল বিকেলে যাই তখন দেখতে পাই না, তবে সন্ধের পরে এখানে এখনও নেশার ধুম ওঠে। ঠিক করে সরোবর পরিস্কারও হয় না। আমরা দীর্ঘদিন বলে আসছি, কেউ কর্ণপাত করে না।' সুভাষ সরোবরের দায়িত্ব কেএমডিএ-র কাঁধে, জলে জমে থাকা কচুরিপানা পরিস্কার থেকে আবর্জনা সাফ, জানালেন বোরো কো-অর্ডিনেটর অনিন্দ্য কিশোর রাউত। তিনি বলেন, 'যতটা সম্ভব সরোবরে তদারকি চালানো হয়। তবে এই সরোবরের দায়িত্ব পুরোটাই কেএমডিএ-র।'