
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 13 April 2025 13:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চারদিনের মাথায় এসএসসি ভবনের সামনে থেকে অনশন তুলে নিলেন তিন শিক্ষক। চরম অব্যবস্থার উঠল অভিযোগ। বিশ্লেষণ করতে গিয়ে প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুললেন তাঁরা। জানিয়ে দিলেন, কোনওভাবেই কোনও সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। সহযোগিতা করেননি স্থানীয় লোকজন বা পাশের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ও। বসাতে দেওয়া হয়নি বায়ো টয়লেট।
ঠিক কী কী ফেস করতে হয়েছে শেষ তিন রাতে? অনশনকারীদের এক সহযোদ্ধা জানান, খোলা আকাশের নীচে বসা। পুলিশ ত্রিপল টাঙাতে দিচ্ছে না, বায়ো টয়লেট বসাতে দিচ্ছে না। ফলে সমস্যা হয় বিরাট অনশনকারীদের। ধুলো-বালি চারিদিকে। বাইকেরও তাণ্ডবও ছিল একপ্রকার। এইসব অনশন তুলে নিতে কার্যত বাধ্য করে।
আরেকজন বলেন, 'কারও শরীর খারাপ হলে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থাও নেই, হাসপাতালে নিয়ে গেলে বলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ না এলে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া যাবে না। সরকার থেকে চাপ দিচ্ছিল, বিভিন্ন শিক্ষক মহল থেকেও আলোচনা করা হচ্ছিল যাতে অনশন তুলে নেওয়া হয়।' তবে, এসবের মধ্যেও অবশ্য মনোবল ধরে রেখেছেন তাঁরা। দরকার হলে আবারও অনশনে বসার হুঁশিয়ারি দেন। তবে, এবার পরিকল্পনা করে অনশনে বসা হবে বলে জানান, যাতে এমন প্রতিকূলতা না আসে। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানিয়ে দেন। উল্লেখ করেন, 'লড়াই থামছে না, পন্থাটা পাল্টে যাবে শুধু।'
আর পরবর্তী কর্মসূচি? জেলায় জেলায় কমিটি তৈরি করা। জেলায় জেলায় আন্দোলন, সঙ্গে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ। প্রয়োজনে সিবিআই দফতরে অভিযান।