Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

SBIHM-এ ২৭তম বিচ ফুড ফেস্টিভ্যাল! ছাত্রছাত্রীদের হাতেই সম্পূর্ণ আয়োজন, শিল্পমহলের প্রশংসা

নিউ টাউনের বিস্ববাংলা ক্যাম্পাসে SBIHM আয়োজন করল ২৭তম বিচ ফুড ফেস্টিভ্যাল। ৫০০-র বেশি ছাত্রছাত্রীর অংশগ্রহণে সম্পূর্ণ ছাত্র-পরিচালিত এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বহু বিশিষ্ট অতিথি।
 

SBIHM-এ ২৭তম বিচ ফুড ফেস্টিভ্যাল! ছাত্রছাত্রীদের হাতেই সম্পূর্ণ আয়োজন, শিল্পমহলের প্রশংসা

তিয়াষ মুখোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 3 February 2026 19:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান SBIHM কলেজ তাদের নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা (Newtown BiswaBangla) ক্যাম্পাসে আয়োজন করল ২৭তম বর্ষের বিচ ফুড ফেস্টিভ্যাল (Food Festival)। পেশাদার হসপিটালিটি শিক্ষার উৎকর্ষ তুলে ধরতেই এই বিশেষ উৎসবের আয়োজন করা হয়, যা একদিকে যেমন ছিল শিক্ষামূলক, তেমনই ছিল দক্ষতায় ভরপুর এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

এই ফেস্টিভ্যালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল—পুরো অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করেছেন SBIHM-এর প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় বর্ষ এবং চূড়ান্ত বর্ষের হোটেল ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের ছাত্রছাত্রীরাই। অভিজ্ঞ শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ৫০০-রও বেশি ছাত্রছাত্রী সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন রান্না প্রস্তুত, খাদ্য পরিবেশন, সাজসজ্জা, লজিস্টিক্স, অতিথি আপ্যায়ন এবং সামগ্রিক ইভেন্ট ব্যবস্থাপনার কাজে।

রান্নার আকর্ষণ ও লাইভ ফুড কাউন্টার

বিচ-থিমে সাজানো এই ফেস্টিভ্যালে ছিল একাধিক লাইভ ফুড কাউন্টার, যা অতিথি এবং ইন্ডাস্ট্রির বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে। যেমন, গ্রিল কাউন্টারে মিলেছে লাইভ গ্রিলড ফিশ, চিকেন বারবিকিউ, পনির টিক্কা, ভেজিটেবল স্কিউয়ার্স। পাস্তা ও কন্টিনেন্টাল কাউন্টার ভরা ছিল আলফ্রেডো পাস্তা, আরাবিয়াটা পাস্তা, আলিও এ অলিও, বেকড লাসানিয়ায়। তেমনই ডেজার্ট কাউন্টারে ছিল লোভনীয় চকলেট ব্রাউনি উইথ ভ্যানিলা সস, ম্যাঙ্গো মুস, তিরামিসু, ফ্রেশ ফ্রুট টার্ট, আইসক্রিম সানডে।

প্রতিটি কাউন্টারেই পেশাদার মানের মেনু পরিকল্পনা, স্বাস্থ্যবিধি, পরিবেশন শৈলী, লাইভ কুকিং এবং অতিথি আপ্যায়নের নিখুঁত ছাপ ছিল স্পষ্ট, যা SBIHM-এর হাতে-কলমে, ইন্ডাস্ট্রি-ওরিয়েন্টেড শিক্ষার শক্ত ভিতকে আরও একবার তুলে ধরেছে।
 

বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য— বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, চলচ্চিত্র পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক, কলকাতা হাইকোর্টের বর্তমান বিচারপতি জাস্টিস কৌশিক চন্দ্র, এনসিএইচএমসিটি-র প্রাক্তন প্রিন্সিপাল ও আইটিডিসি-র প্রাক্তন কমিটি সদস্য রঞ্জিত চৌধুরী, রামকৃষ্ণ সত্যনন্দ মিশনের স্বামী সুদর্শনানন্দ মহারাজ, পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর প্রাক্তন মুখ্য উপদেষ্টা ও প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়, পিয়ারলেস হাসপাতালের ডিজিএম মৌসুমি গঙ্গোপাধ্যায়, অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত দোলা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের সেলিব্রিটি, পাঁচতারা হোটেলের এক্সিকিউটিভ শেফ, জেনারেল ম্যানেজার, সরকারি আধিকারিক, সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদ, অভিভাবক এবং হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির নানা পেশাদার ব্যক্তিত্বরা। তাঁরা সকলেই ছাত্রছাত্রীদের পেশাদারিত্ব, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাসের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

 

<strong>&nbsp;অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি&nbsp;</strong>

শিক্ষা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন

২৭তম বিচ ফুড ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেল, SBIHM দক্ষতাভিত্তিক, অভিজ্ঞতানির্ভর এবং ইন্ডাস্ট্রি-সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষার প্রতি কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি তাদের ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের বাস্তব হসপিটালিটি দুনিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং পেশাদার করে তুলছে। এই ফেস্টিভ্যাল শুধু একটি উৎসব নয়—এটি ছিল শিক্ষা, দক্ষতা আর বাস্তব অভিজ্ঞতার এক সফল উদযাপন।


```