
অভিজিৎ মণ্ডল এবং সন্দীপ ঘোষ
শেষ আপডেট: 2 December 2024 18:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর হাসপাতালের মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের ১০ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার সিবিআই যে আর্জি জানিয়েছিল তাতেই সাড়া দিয়েছেন বিচারক। আগামী ৯ ডিসেম্বর তাঁদের আদালতে সশরীরে হাজিরার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
এদিন আদালতে সিবিআই দাবি করেছে, এঁদের এখন জামিন দেওয়ার কোনও ভিত্তিই নেই। পাশাপাশি জামিন দিল তথ্যপ্রমাণ নষ্টের আশঙ্কা থেকে যায়। এরই পাল্টা সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী বলেন, তদন্তকারীরা বারবার বলছেন তথ্যপ্রমাণ নষ্টের কথা। কিন্তু এতদিন কোথায় কোন তথ্য আদতে নষ্ট করা হয়েছে তার জবাব কারও কাছে নেই। সিএফএসএল রিপোর্টে কী উল্লেখ করা হয়েছে তাও স্পষ্টভাবে সামনে আনা হচ্ছে না। রিপোর্টে আদৌ তথ্যপ্রমাণ নষ্টের কথা বলা হয়েছে কিনা সেটাও পরিস্কার নয় বলে মন্তব্য তাঁর।
অভিজিৎ মণ্ডলের আইনজীবী আবার জামিনের পক্ষে সওয়াল তুলে বলেন, সিবিআই দাবি করছে জামিন মিললে তাঁর মক্কেল পালিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু ভুললে চলবে না তিনি সরকারি কর্মচারী। তাই পালিয়ে যাওয়ার কোনও অবকাশ নেই। যদিও এই যুক্তি মানতে চায়নি সিবিআই।
কদিন আগেই হাসপাতালের দুর্নীতি মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট পাঁচ জনের নাম ছিল তাতে। আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার সূত্র ধরেই সামনে আসে হাসপাতালের দুর্নীতি। আদালতের নির্দেশে সেই ঘটনারও তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
শুধু তাই নয় সিবিআইয়ের আরও দাবি ছিল, ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, মোবাইল, মেমরি কার্ড-সহ অন্তত ১৮টি ডিজিটাল ডিভাইসের ‘ক্লোনিং’ করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখছে সিবিআই। ওই যন্ত্রগুলিতে থাকা নথি থেকে তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলেও মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল।