সোমবার সকালে সখের বাজার ক্রসিং এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ।
.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 2 June 2025 13:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যস্ত সময়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বেহালায় (Behala Bus Accident)। বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল মহিলার। সোমবার সকালে সখের বাজার ক্রসিং এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সকালে ধর্মতলা (Dharmatala) থেকে ডায়মন্ড হারবারের দিকে যাচ্ছিল একটি বাস। সেই বাসেই ছিলেন ওই মহিলা। সখের বাজার ক্রসিংয়ের কাছে নামার সময় তাঁর শাড়ির আঁচল জড়িয়ে যায়। টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যান তিনি। সিগন্যাল থাকায় বাসটিও এগিয়ে যায়। ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মহিলার শরীরের উপর দিয়েই বাসটি চলে যায়।
স্থানীয় দোকানদার ও পথচলতি মানুষরাই গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায় তাঁকে। সেখানে চিকিৎসকেরা ওই মহিলাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতার নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি বলে খবর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ। ঘাতক বাসটির চালক ঘটনার পর থেকেই পলাতক। বাসটিকে আটক করা হয়েছে।
কলকাতা (Kolkata) শহরে প্রায় রোজই দুর্ঘটনার খবর সামনে আসে। চালকের অসাবধনতা, বেপরোয়া গতি, আরও একাধিক কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। পুলিশের তরফে বারবার সতর্ক করা হলেও লাভ মিলছে না।
কিছু সময় আগেই বেহালায় (Behala Accident) এক ছাত্রের মৃত্যুকে (Student Death) কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বেহালা চৌরাস্তার কাছে বড়িশা স্কুলের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। অভিযোগ ছিল, স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় বেপরোয়া গতির বলি হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। তারপরই শুরু হয় বিক্ষোভ। একাধিক রাস্তা অবরোধ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামাতে হয়েছিল। হাইকোর্টেও (Kolkata High Court) মামলা দায়ের হয়েছিল।
কলকাতায় বাস দুর্ঘটনা কমাতে 'যাত্রী সাথী অ্যাপ' (Yatri Sathi App) চালু করেছে রাজ্য সরকার। এই অ্যাপের সাহায্যে বাসের গতিড় উপর নজরদারি রাখতে পারবে পুলিশ ও পরিবহণ দফতর। যদি কোনও বাসের গতি অস্বাভাবিক বেড়ে যায়, তা জানতে পারবে পুলিশ। পাশাপাশি বাসটি কোথায় রয়েছে তাও ট্র্যাক করা যাবে।
২০১৬ সালে 'সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফ'-এর (Save Drive Safe Life) উদ্বোধন হয়। এরপর থেকে দুর্ঘটনা অনেক কমেছে বলে দাবি করেছিলেন পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানিয়েছিলেন, 'আগে বছরে ৭০ হাজার দুর্ঘটনা ঘটত, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে তেরো হাজারে।' প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে দুর্ঘটনা আরও কমানো যায় সেই প্রচেষ্টাও চলছে বলে জানান স্নেহাশিস চক্রবর্তী।