প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই যুবক রাস্তা পার করছিলেন। সেইসময় রং রুট দিয়ে লরিটি চলে আসে। গতি নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই বাইকটিকে ধাক্কা মারে। এরপর লরির চাকায় যুবককে টেনে বেশ কিছুটা রাস্তা নিয়ে যায়।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 25 June 2025 07:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাস কলকাতার বাঘাযতীনে (Baghajatin) মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় (Road Accident) মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। মঙ্গলবার রাতে যাদবপুর থেকে বাঘাযতীনের দিকে বাইক নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেপরোয়া গতিতে (Reckless Driving) ছুটে আসা একটি লরি বাইকটিকে ধাক্কা মারার পর পিষে দেয় চালককে। দুর্ঘটনার ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে, বাইক চালকের দেহাংশ ছিটকে পড়ে রাস্তায়।
যাদবপুর থানার পুলিশ এসে ওই দেহাংশ উদ্ধার করে এবং বাইকটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। তবে তিনি ফুড ডেলিভারি (Food Delivery Boy) করতেন বলেই জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার জেরে দেহ ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গিয়েছে, তাই মুখ দেখেও চেনার উপায় নেই। বাইকের নম্বর প্লেটের মাধ্যমে চালকের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই যুবক রাস্তা পার করছিলেন। সেইসময় রং রুট দিয়ে লরিটি চলে আসে। গতি নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই বাইকটিকে ধাক্কা মারে। এরপর লরির চাকায় যুবককে টেনে বেশ কিছুটা রাস্তা নিয়ে যায়।
পুলিশ লরিটিকে আটক করেছে। ঘাতক লরির চালক দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া গতিতে লরি চলে। তাদের আরও অভিযোগ, রোজ রাতে লরি চালকের থেকে টাকা নিয়ে পুলিশের একাংশ লরিগুলি ছেড়ে দেয়। এমনকি, টোল বা কোনও নির্দেশ না মানলেও পুলিশ ব্যবস্থা নেয় না। যে কারণে এলাকায় দিনের পর দিন এই ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মঙ্গলবার রাতে এলাকাবাসীরা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। যাদবপুর থানার পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।
গত রবিবার মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। বীরভূম (Birbhum) জেলার বেলে এলাকা থেকে স্নান সেরে ফিরছিলেন মুর্শিদাবাদের রুকুনপুর এলাকার ২০ জনের একটি দল। তাঁরা একটি ট্রেকারে করে ফিরছিলেন। পথে একটি ডাম্পারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ধাক্কার জেরে ট্রেকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পাঁচজনের, যাঁদের মধ্যে তিনজন মহিলা ছিলেন বলে জানিয়েছিল পুলিশ।