
মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারদের ফোরামের প্রতিবাদ মিছিল।
শেষ আপডেট: 21 August 2024 12:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের পর ১০ দিন অতিক্রান্ত। অথচ সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় ছাড়া নতুন করে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি সিবিআই।
যা নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বুধবার সিবিআই দফতর থেকে স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে নামল রাজ্য এবং ভিন রাজ্যের ৩১টি মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারদের ফোরাম। ইতিমধ্যে বিকাশ ভবন পেরিয়ে মিছিল এগোচ্ছে স্বাস্থ্যভবনের দিকে। মিছি কে কেন্দ্র করে যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি না হয় তার জন্য বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে সল্টলেকের চারপাশে নিরাপত্তা জোরাল করা হয়েছে।
গত ৮ অগস্ট মধ্যরাতে আরজি করের চারতলার সেমিনার হলে ধর্ষণ ও খুন করা হয় ডাক্তারি ছাত্রীকে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ছেঁড়া হেডফোনের তারের সূত্র ধরে পরের দিনই সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মঙ্গলবার থেকে ঘটনার তদন্তে নেমেছে সিবিআই।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যে নৃশংসতার বর্ণনা উঠে এসেছে তাতে স্পষ্ট কারও একার পক্ষে এঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। সঞ্জয়ের পাশাপাশি আরও কেউ জড়িত রয়েছে ডাক্তারি ছাত্রী খুনের ঘটনায়। অবিলম্বে বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে এদিন ‘বিচার চাই’, পোস্টার-ব্যানার হাতে সকাল থেকে সিজিওতে সিবিআই দফতরের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।
যার জেরে সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ সেখান থেকে মিছিল করে স্বাস্থ্য ভবনের উদ্দেশে রওনা দেন তাঁরা। মিছিল যত এগোচ্ছে ততই বাড়ছে আন্দোলনকারীর সংখ্যাও।
তদন্তে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি আরজি করের বর্তমান অধ্যক্ষ সুহৃতা পালকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, সন্দীপ ঘোষের পর আরজি করের দায়িত্ব নিলেও সুহৃতা পালকে একবারও হাসপাতালে দেখা যায়নি। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে আন্দোলনকারীদের মিছিলে ‘নিখোঁজ অধ্যক্ষ’ লেখা পোস্টারও দেখা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রী খুনের ঘটনায় আন্দোলিত সমাজ। শুধু জুনিয়র চিকিৎসকরা নন, বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে পথে নেমেছেন সর্বস্তরের মানুষ।