.webp)
স্বাস্থ্যভবনের সামনে আটকে দেওয়া হল পুলিশের গাড়ি।
শেষ আপডেট: 10 September 2024 17:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বাস্থ্য ভবনের ১০০ মিটার দূরে আন্দোলনকারীদের আটকে দিয়েছিল পুলিশ। সেখানে বসেই অবস্থান বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীা। ঘড়ির কাঁটায় বিকেল পাঁচটা বাজতেই সেই রাস্তা কার্যত অবরুদ্ধ করে দিলেন আন্দোলনকারীরা। আটকে দেওয়া হল পুলিশের গাড়িও।
আন্দোলনকারীদের সাফ কথা, আগে দাবি পূরণ, তারপরে ঘেরাও তোলা হবে। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের ডেডলাইন পেরিয়ে যেতেই আন্দোলনের সুর আরও চড়ালেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশের সব কটা গাড়িকে ঘিরে আটকে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে আবার ব্যাক করে নবদিগন্ত ভবনের মধ্যে ঢুকে যায় পুলিশের গাড়িগুলো। এই মুহূর্তে সেখানে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
সোমবার শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ পষ্টাপষ্টিই জানিয়ে দিয়েছিল, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি থামিয়ে কাজে ফিরতে হবে। ৫টা পর কেউ কর্মবিরতি পালন করলে তাঁর বিরুদ্ধে সরকার শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতেই পারে।
কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতের সেই নির্দেশকে পরোয়া না করে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবন অভিযানে নেমেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। লালবাজার অভিযানে তাঁদের হাতে ছিল কৃত্রিম মেরুদণ্ড। মঙ্গলবার তাঁদের হাতে ধরা রয়েছে কৃত্রিম মগজ। অর্থাৎ বার্তা এই যে স্বাস্থ্য পরিষেবার যে মগজ তথা স্বাস্থ্যভবন সেখানেই সাফাই অভিযান চালানো। তিন স্বাস্থ্য কর্তার পদত্যাগ-সহ পাঁচ দফা দাবিও তুলেছেন তাঁরা।
দাবি মানা না হলে লালবাজারের কায়দায় স্বাস্থ্যভবনেও রাতভর ঘেরাও অবস্থান করার পরিকল্পনাও রয়েছে। তারই ইঙ্গিত হিসেবে বিকেলল পাঁচটা বাজতেই স্বাস্থ্যভবনের সামনের পথ অবরুদ্ধ করার পথে হাঁটল আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীদের কথায়, "হাসপাতালে কোনও রোগী ভর্তি হলে আমরা চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি রোগীর বাড়ির লোককেও প্রতি মুহুর্তে ঘটনার আপডেট দিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে কিছু জানায়নি। তাহলে কোন ভরসায় বিচার না পেয়ে আমরা আন্দোলন থেকে সরে যাব?"