Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

ট্যাংরা কাণ্ড: মূল অভিযুক্ত দুই ভাই, ঘটনার ৯৯ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা দিল পুলিশ

প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে রাখা হয়েছে দে পরিবারের দুই ভাই প্রণয় এবং প্রসূনকেই।

ট্যাংরা কাণ্ড: মূল অভিযুক্ত দুই ভাই, ঘটনার ৯৯ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা দিল পুলিশ

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 29 May 2025 15:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্যাংরায় একই পরিবারের (Tangra Triple Murder) তিন সদস্যের খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয়ে গেছিল রাজ্যে। সেই ঘটনার ৯৯ ডিনের মাথায় অবশেষে চার্জশিট (Chargesheet) দিল পুলিশ। প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে রাখা হয়েছে দে পরিবারের দুই ভাই প্রণয় এবং প্রসূনকেই। ইতিমধ্যে দুই ভাই গ্রেফতার হয়েছেন।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ট্যাংরায় দে পরিবারের দুই স্ত্রীর হাতের শিরা ও গলা কেটে এবং কিশোরী মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করে নাবালক ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বড় ভাই প্রণয় ও ছোট ভাই প্রসূন। ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর পর্যন্ত তাঁরা সকলেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ছাড়া পাওয়ার পর প্রথমে গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রসূনকে। আর চলতি মাসে হাসপাতালে থেকে ছাড়া পেলে গ্রেফতার হন বড় ভাইও। তারপরই এই মামলায় চার্জশিট দিল পুলিশ।

বৃহস্পতিবার শিয়ালদহ আদালতে (Sealdah Court) পুলিশ এই চার্জশিট জমা দিয়েছে। তাতে খুন, খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ দোষ প্রমাণ হলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে দুই ভাই বা কোনও এক ভাইয়ের। ছোট ভাই প্রসূন আগেই অবশ্য খুনের কথা স্বীকার করেছিলেন। তবে এও জানা গেছিল, তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছিলেন দাদাও। এক্ষেত্রে অনুমান, সাজা হলে ছোট ভাইয়ের তুলনায় বড় ভাইয়ের কম হবে। কিন্তু দুজনেই যে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তা স্পষ্ট।

ট্যাংরা কাণ্ড শহর কলকাতায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তদন্ত উঠে আসে, বিপুল টাকা দেনা হয়েছিল দে পরিবারের। ব্যবসাও খুব ক্ষতি হয়েছিল। বাজারে অন্তত ১৫ কোটি টাকা ধার ছিল তাঁদের। তা শোধ দেওয়ার কোনও পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না তাঁরা। সেই কারণেই গোটা পরিবার আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও পরবর্তী সময়ে জানা যায়, বাড়ির মহিলা সদস্যদের খুন করা হয়েছে।

কিশোরী প্রিয়ম্বদার মৃত্যুর কারণ ছিল খাদ্যে বিষক্রিয়া। আর দুই গৃহবধূ রোমি এবং সুদেষ্ণার মৃত্যু হয়েছিল হাতের শিরা কাটার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে। এই ঘটনার পর রোমির বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আপাতত মূল অভিযুক্ত দুই ভাই জেল হেফাজতে রয়েছেন। আর পরিবারের বাকি এক সদস্য ওই কিশোরের স্থান হয়েছে হোমে। 


```