জানা গিয়েছে, রান্নার গ্যাস থেকেই দোকানে আগুন লেগে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। কেউ আহত হয়েছেন কিনা, জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

শেষ আপডেট: 29 January 2026 22:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'ওয়াও মোমো' অগ্নিকাণ্ডের রেশ কাটেনি, এবার আরও এক ঘটনায় উত্তেজনা শহরে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লেক টাউনে বিরিয়ানির দোকানে আগুন লাগে (lake town simla biryani fire)। ঘটনাস্থলে দমকলের দুটি ইঞ্জিন গিয়েছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, রান্নার গ্যাস থেকেই দোকানে আগুন লেগে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। কেউ আহত হয়েছেন কিনা, জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। চারিদিক ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ঢেকে যায়। পাশেই ব্যস্ত রাস্তা। যান চলাচল ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে নামে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে 'ওয়াও মোমো'র গোডাউনে আগুন লেগে যায়। দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২১টি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদের মধ্যে একটি দেহ আধপোড়া অবস্থায় এবং বাকি ২০টি কঙ্কাল। অগ্নিকাণ্ডের পর ২৮ জন নিখোঁজ হিসেবে পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল। এতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাগুলি আশঙ্কা করছে। উদ্ধারকাজ চলাকালীন দেহাংশ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের (DNA Mapping) কাজ শুরু হয়েছে, যা পরিচয় শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে আগুন লাগার কারণও জানা গেছে। এর আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল মোমোর গুদাম (WOW Momo Factory)। ধৃত ডেকরেটর্সের মালিক গঙ্গাধর দাস দাবি করছিলেন, আগুন মোমোর গুদাম থেকেই শুরু হয়েছিল। তবে ফরেন্সিক ও দমকলের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে জানা গেছে, প্রকৃত আগুনের উৎস ছিল ডেকরেটর্সের গুদামই। ওই গুদামের পশ্চিম দিকে তিন তলা বিশিষ্ট অংশ থেকে আগুন ছড়াতে ছড়াতে পুরো ডেকরেটর্স এবং মোমোর গুদাম গ্রাস করে নেয়।