ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যে গঠিত হয়েছে ৯ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। নেতৃত্বে রয়েছেন দক্ষিণ শহরতলির অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার প্রদীপকুমার ঘোষাল।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 1 July 2025 20:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কসবা ল'কলেজে (Kasba Law College Incident) গণধর্ষণের ঘটনায় সিকিউরিটি গার্ড বাদে বাকি তিন অভিযুক্তকে ৮ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। অন্যদিকে কলেজের সিকিউরিটি গার্ড পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৪ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আলিপুর আদালতে। পুলিশের তরফে চারজনেরই ১০ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল।
গত ২৫ জুন কসবার ল কলেজের মধ্যেই এক ছাত্রীকে গণ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে কলেজের প্রাক্তনী তথা আলিপুর আদালতের আইনজীবী মনোজিৎ মিশ্র, কলেজের দুই পডু়য়া জইব এবং প্রমিতের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরই পুলিশ ধৃতদের গ্রেফতার করে। ওই ঘটনায় পরে কলেজের সিকিউরিটি গার্ড পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করে পুলিশ।
ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যে গঠিত হয়েছে ৯ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। নেতৃত্বে রয়েছেন দক্ষিণ শহরতলির অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার প্রদীপকুমার ঘোষাল। সিসিটিভি ফুটেজ ঘেঁটে তথ্য জোগাড়ের পাশাপাশি সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে সেদিন বিকেল ৪টের পর কলেজে ছিলেন এমন ১৭ পড়ুয়াকে চিহ্নিত করেছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যে তাঁদের জেরাও করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ঘটনার দিনের বিকেল ৪টের পর থেকে প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। যার সঙ্গে নির্যাতিতার বয়ানের মিল রয়েছে।
এদিকে, নির্যাতিতার পরিচয় ফাঁস করার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে কলকাতা পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে লালবাজারের তরফে একটি স্পষ্ট বার্তায় জানানো হয়েছে, নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশে যে কোনও চেষ্টাই আইনত অপরাধ। এমন কার্যকলাপে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।
পুলিশের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, “নির্যাতিতার গোপন তথ্য ছড়ানো বা অন্য কোনওভাবে পরিচয় ফাঁস করার চেষ্টা হচ্ছে। এটা আইন লঙ্ঘনের সামিল।” যদিও ঠিক কীভাবে বা কারা এই তথ্য ফাঁস করছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি লালবাজার। তবে সকলকে সংবেদনশীলতা বজায় রেখে নির্যাতিতার মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষা করার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।