কসবা ল কলেজের পঠনপাঠন কোনভাবেই যেন বিঘ্নিত না হয়, তা সুনিশ্চিত করতে হবে রাজ্যকে, নির্দেশ হাইকোর্টের।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 3 July 2025 14:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দাসের ডিভিশন বেঞ্চ।
এদিকে এদিনের শুনানিতে মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ঘটনার তিন ঘণ্টার মধ্যেই মহিলা পুলিশ আধিকারিক একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। এরপরই কলেজের (আইন) সংবিধান সম্পর্কে রাজ্যের কাছে জানতে চায় হাইকোর্ট। আগামী ১০ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
গত ২৫ জুন কসবার ল কলেজের মধ্যে আইনের ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নেমে প্রধান অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র-সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কসবাকাণ্ড নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে একাধিক জনস্বার্থ মামলা। সিবিআই তদন্ত এবং তদন্তে আদালতের নজরদারি চেয়ে আইনজীবীদের তরফেও মামলা করা হয়েছে। যদিও নির্যাতিতার পরিবার শুরু থেকেই পুলিশি তদন্তে আস্থা রেখছেন। তাঁরা চান, কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) যেভাবে তদন্ত করছে সেভাবেই যেন তদন্ত চালিয়ে যাক।
এ ব্যাপারে কসবা কাণ্ডে দায়ের হওয়া তিনটি জনস্বার্থ মামলায় তাঁরা যুক্ত হওয়ার আবেদনও জানিয়েছেন। পরিবারের পক্ষের আইনজীবীরা জানান, পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) যে গতিতে ও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে, তা যেন বাধাপ্রাপ্ত না হয়। তাই এখনই সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন নেই।
এদিন মামলার শুনানিতে আদালতের তরফে পরিষ্কার করে জানানো হয়, নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কোনও ছবি বা ভিডিও সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না।
কসবাকাণ্ডের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয় সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ। এনিয়েও হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। এদিন মামলার শুনানিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, কলেজের পঠনপাঠন কোনভাবেই যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেদিকটি সুনিশ্চিত করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত করতে হবে।