
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 3 October 2024 18:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহালয়ার ভোরে বাঁশদ্রোণীতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় নবম শ্রেণির এক ছাত্রের। এলাকার রাস্তা সারাইয়ের জন্য আনা মাটি কাটার যন্ত্রের গাড়ি (জেসিবি) একটি গাছের সঙ্গে পিষে দেয় তাকে। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। জেসিবির অভিযুক্ত চালক ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার তাকেই আটক করেছে পুলিশ।
বাঁশদ্রোণীর ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর থেকে তাঁকে এলাকায় দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় বিজেপি দাবি করেছে, তাঁরা ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য দলের নেত্রীদের গ্রেফতার করা হয়েছে কিন্তু মূল ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এরপরই জেসিবির চালককে আটকের খবর সামনে এল। পুলিশ সূত্রের খবর, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযোগ ছিল, সে মদ্যপ অবস্থায় ছিল ঘটনার সময়ে। আদৌ তা সত্যি কিনা সেটা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
দীর্ঘদিন রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে তো ক্ষোভ রয়েছেই। অন্যদিকে বাঁশদ্রোণীর স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছাত্রের মৃত্যুর পর থেকে এলাকায় দেখা মেলেনি স্থানীয় কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারের। এদিকে বুধবারই বাঁশদ্রোণী থানায় পৌঁছে গিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। সেই সময়ই পুলিশ ধরপাকড় শুরু করলে এক বিজেপি নেত্রীকে আটক হন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ও ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার হন। পরে অবশ্য তিনি জামিন পান।
মহালয়ার সকালে ছাত্রের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই দলে দলে মানুষ নেমে আসেন রাস্তায়। বিক্ষোভ সামাল দিতে বাঁশদ্রোণী পুলিশ পৌঁছলে, পুলিশকে ঘিরেও শুরু হয় বিক্ষোভ। এরপর পাটুলি থানা থেকেও পুলিশ পৌঁছয়। দুটি থানার ওসিকেই ঘিরে ফেলে জনতা। দাবি করেন, ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারকে ঘটনাস্থলে আসতে হবে। তারপরেই অবরোধ তুলবেন তাঁরা। কারণ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার রাস্তা ভাঙাচোরা। কিন্তু হেলদোল নেই পুরসভার।