
সিভি আনন্দ বোস
শেষ আপডেট: 7 September 2024 17:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার বিচার চেয়ে শনিবার রাজভবন অভিযান করেছিলেন চিকিৎসক-নার্সরা। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু রাজভবন গিয়েও তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি চিকিৎসকদের। কারণ রাজ্যপাল ছিলেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রতিবাদীরা।
শনিবার চিকিৎসকদের ৫ জনের প্রতিনিধি দল রাজভবনে যায়। তবে রাজ্যপাল না থাকায় তাঁর সেক্রেটারির হাতেই ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়। প্রতিবাদীদের অভিযোগ, রাজ্যপাল কথা দিয়েও শেষ মুহূর্তে দেখা করেননি। কেন, সেই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। এদিন নীলরতন সরকার হাসপাতাল থেকে রাজভবন অভিযান করেছিলেন জুনিয়র চিকিৎসক ও নার্সরা। তাঁদের সঙ্গ দেন বহু প্রবীণ চিকিৎসক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও। কিন্তু যে উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁরা রাজভবন অভিযান করলেন তা একশো শতাংশ সম্পন্ন না হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন অনেকেই।
আরজি কর কাণ্ডের মাঝেই অবশ্য আবার রাজভবনের শ্লীলতাহানির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। যে ঘটনায় অভিযুক্ত খোদ রাজ্যপাল। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন গত মে মাসে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনা রাজভবনের সেই নির্যাতিতা প্রাক্তন অস্থায়ী কর্মী। একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নির্যাতিতা তরুণী বলেন, "দেখে ভাল লাগছে, আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চেয়ে এত লক্ষ মানুষ পথে নামছেেন। মেয়েটি বিচার পাক, আমিও চাই। কিন্তু একই সঙ্গে আক্ষেপ হচ্ছে, নিজের জন্য। আমিও তো নির্যাতনের শিকার। আমার হয়ে কেন সে সময় কেউ পাশে দাঁড়ালেন না?"
চাকরিতে স্থায়ীভাবে নিযুক্ত করার প্রলোভন দেখিয়ে রাজ্যপাল তাঁর শ্লীলতাহানি করেছেন বলে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ করেছিলেন তিনি। লোকসভা ভোট পর্বে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য-রাজ্য়নীতিতে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। বোসের বিরুদ্ধে সরব হয় তৃণমূল। প্রাথমিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া না দিলেও পরে তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নোংরা রাজনীতি করছেন’ বলে দাবি করেন রাজ্যপাল।