
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 8 November 2024 14:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এনজিটির নির্দেশ মতো রবীন্দ্র সরোবর বা সুভাষ সরোবরে ছট পুজোর কাজ করা যাবে না বলে বুধবার রাত থেকেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। খুলেছে শুক্রবার দুপুর ১২টায়। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে লেকের বাইরে দেদার শব্দবাজি ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে। আর পুলিশও এ ব্যাপারে খুব একটা হস্তক্ষেপ করেনি বলেই দাবি স্থানীয়দের। স্বাভাবিকভাবে আবারও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।
স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, রবীন্দ্র সরোবরের যে কটি প্রবেশ পথ রয়েছে তার সবকটির সামনে কয়েকজন যুবক মাত্রাছাড়া শব্দবাজি ফাটিয়েছে। মূলত লেকে ঢুকতে না পেরেই তারা এই কাজ করেছে বলে দাবি। একই রকম ঘটনা সুভাষ সরোবরেও ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পুলিশের ওপরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
দুটি লেক বন্ধ করে প্রতিটির সব গেটের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। লেকের আশেপাশে কোনও গাড়িও ঢুকতে দেয়নি পুলিশ। কিন্তু শব্দবাজির তাণ্ডব কেন আটকানো গেল না, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, বাজির ফাটানো নিয়ে পুলিশে অভিযোগ করা হলে উত্তর আসে, 'একটু অপেক্ষা করলে থেমে যাবে।' তাদের দাবি, পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে ছিল বলেই বাজির এত বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল।
বাজি ফাটানোর পাশাপাশি উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। রবীন্দ্র এবং সুভাষ সরোবর এলাকায় তারস্বরে ডিজে বাজিয়ে গান, কালীপটকা, বোমা ফাটানোর ঘটনা ঘটেছে। কোনও ক্ষেত্রেই পুলিশ হস্তক্ষেপ করেনি বলে দাবি। দুই লেক মিলিয়ে অন্তত ১৫০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রত্যেকটি প্রবেশদ্বারে অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার পদমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে পুলিশবাহিনীও ছিল। তারপরও এই ধরনের ঘটনা কেন, উত্তর চাইছে সাধারণ মানুষ।