নিহত চিকিৎসক ছাত্রীর মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর সারা শরীরে অনেকগুলি ছোট বড় ক্ষত ছিল। সব মিলিয়ে তার সংখ্যা ১৬টি। যেমন মাথায়, গালে, নাকে, ঠোঁটের ভিতরে, বাম কাঁধে ও হাতে, বাম হাঁটুতে, এবং যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্ন দেখা গিয়েছে। এই সব ক্ষতচিহ্নগুলোর কোনওটি ০.৩ X ০.১ ইঞ্চি মাপের তো কোনওটি ০.২ X ০.১ ইঞ্চি মাপের। বাম কাঁধের উপর ২ ইঞ্চি x ২ ইঞ্চি মাপের ক্ষত দেখা গিয়েছে। তা ছাড়া মৃত চিকিৎসরের দুই ফুসফুসে হেমারেজ অর্থাৎ রক্ত জমাট অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।
গত শুক্রবার তথা ৯ অগস্ট আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চার তলার সেমিনার হলে তরুণী চিকিৎসকের মরদেহ মিলেছিল। সেদিনই তাঁর মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। পরিবার ও চিকিৎসকদের দাবি মতো একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত করা হয়েছিল। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল আগেই জানিয়েছিলেন, গোটা ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়ার ভিডিও গ্রাফি করা হয়েছে। সেই ভিডিগ্রাফারের নামও রয়েছে রিপোর্টে। সেই তদন্তেরই রিপোর্ট এখন পাওয়া গিয়েছে।
রিপোর্ট দেখে সব মিলিয়ে অনেকেরই অনুমান, যে অত্যাচারের কথা বলা হয়েছে এবং যেভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে, তাতে একাধিক ব্যক্তি থাকতে পারার সন্দেহই বাড়ছে। এই অভিযোগ অবশ্য প্রথম থেকেই করে এসেছেন নির্যাতিতাক বাবা-মা। তাঁরা দাবি করেছেন, এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত। কলকাতা পুলিশও প্রথম থেকেই সে কথা মাথায় রেখেছে। সিবিআই সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করা হলে সত্যিটা সামনে এলেও আসতে পারে।


