.webp)
বউবাজার থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভে জুনিয়র ডাক্তাররা।
শেষ আপডেট: 8 October 2024 00:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'তিনদিনের মধ্যে সিসিটিভির কাজ ৯০ শতাংশ শেষ হবে' জানিয়ে সোমবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক থেকে আন্দোলরত জুনিয়র চিকিৎসকদের অনশন তোলার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। এ ব্যাপারে আন্দোলনকারীদের অবস্থান কী, তা নিয়ে যখন সব মহলে কৌতূহল ঠিক তখনই ফের পুলিশের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ আনলেন আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা।
পুলিশের বিরুদ্ধে জোর জুলুম ও অভব্য আচরণের অভিযোগে এদিন সন্ধে থেকে বউবাজার থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। খবর পেয়ে ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে অনেকে সেখানে হাজিরও হয়েছেন। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে বউবাজার থানা চত্বরে।
পুলিশের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ জুনিয়র চিকিৎসকদের? তাঁরা জানান, এদিন একটি টলিতে করে বেশকিছু কাঠের চৌকি ও ফাইবারের চেয়ার তাঁরা ধর্নামঞ্চের উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছিলেন। নির্মল চন্দ্র স্ট্রিটের কাছে তাঁদের গাড়ি আটকানো হয়।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ধর্নামঞ্চে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শোনা মাত্রই সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মী অভব্য আচরণ করতে শুরু করেন। জোর করে ওই সরঞ্জাম-সহ তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেই খবর পেয়ে এরপরই দলে দলে জুনিয়র ডাক্তাররা পৌঁছে যান বউবাজার থানার সামনে। থানা ঘেরাও করে অবস্থানে বসে পড়েন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাতে সামিল হন একাংশ সাধারণ মানুষও। পরে পুলিশ বাজেয়াপ্ত চৌকি ও চেয়ার ছেড়ে দিলে সেগুলি কাঁধে নিয়ে পায়ে হেঁটে ধর্না মঞ্চের উদ্দেশে রওনা দেন পড়ুয়ারা।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানার বা কলকাতা পুলিশের পদস্থ কোনও পুলিশ কর্তার প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। প্রতিক্রিয়া জানা গেলে প্রতিবেদনে আপডেট করে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, আর জি কর-কাণ্ডের প্রেক্ষিতে ১০ দফা দাবিতে গত শুক্রবার থেকে ধর্মতলা চত্বরে ধর্নায় বসেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। শনিবার রাত থেকে শুরু হয়েছে আমরণ অনশন। সেখানে বায়ো টয়লেট বসানো নিয়ে এর আগে পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এবার সর়ঞ্জাম বাজেয়াপ্তর অভিযোগ।