লালবাজার সূত্রে জানা গেছে, ট্রাকটির গতিবিধি দেখে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, ট্রাকটি বিপজ্জনকভাবে চালানো হচ্ছিল এবং মুহূর্তের মধ্যে যে কোনও অঘটন ঘটতে পারত।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 2 September 2025 12:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাইটার্স বিল্ডিংয়ের (Writers Building) সামনে নাটকীয় দৃশ্য। সেনাবাহিনীর একটি ট্রাককে (Indian Army Truck) আটকে দিল কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ (Kolkata Police)। অভিযোগ, গাড়িটি বেপরোয়া গতিতে চালানো হচ্ছিল। ঠিক ওই ট্রাকের পিছনেই চলছিল কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মার গাড়ি (CP Manoj Verma)। ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজক হয়ে ওঠে।
লালবাজার (Lalbazar) সূত্রে জানা গেছে, ট্রাকটির গতিবিধি দেখে বড়সড় দুর্ঘটনার (Accident) আশঙ্কা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, ট্রাকটি বিপজ্জনকভাবে চালানো হচ্ছিল এবং মুহূর্তের মধ্যে যে কোনও অঘটন ঘটতে পারত। ট্রাফিক আইন ভাঙার অভিযোগেই ট্রাকটিকে রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়।
পরে খবর দেওয়া হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ট্রাকটি সেখানেই দাঁড় করানো ছিল। ট্র্যাফিক পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘‘নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে। তাই আমরা ট্রাকটিকে আটকেছি। এখন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

ফোর্ট উইলিয়াম থেকে পাসপোর্ট অফিস যাচ্ছিল সেনাবাহিনীর গাড়িটি। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ সেই গাড়ি আটকানো হয়। তবে পুলিশের তরফে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মানেনি সেনা। তাঁদের বক্তব্য, গাড়ির গতি বেশি ছিল না।
এদিকে রাইটার্স বিল্ডিংয়ের এলাকায় সিগনাল খোলা থাকায় সেনার গাড়ি টার্ন নেয়। ট্র্যাফিক পুলিশের দাবি, বিপজ্জনক ভাবে টার্ন নিয়েছিল গাড়ি। পিছনে সিপির কনভয় ছিল, বিপদ ঘটে যেতে পারত। কিন্তু সেনা বলেছে, তাঁদের গাড়ির পিছনে সিপির কনভয় ছিল সেটা জানা ছিল না। কিন্তু বেপরোয়া গতির তথ্য ভুল।
ঘটনাটি এমন সময় ঘটল যখন সেনার সঙ্গে রাজ্যের শাসক দলের সংঘাতের আবহ চলছে। সোমবারই ধর্মতলায় তৃণমূলের মঞ্চ খোলা নিয়ে বিবাদ বাঁধে। ঘটনাস্থলে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলে যান এবং সেনার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। দাবি করেন, বিজেপির হয়ে কাজ করছে তাঁরা। এই ঘটনার পরই মঙ্গলবার শহরের রাস্তায় কার্যত সেনা-পুলিশ সংঘাত দেখা গেল।