শুক্রবার রাতের ওই ঘটনার পর শনিবার কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর (FIR) নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Kolkata News)।

ছবি: এআই
শেষ আপডেট: 16 February 2026 18:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ কলকাতার কসবা (Kasba News) এলাকায় এক যুবতীকে জোর করে গাড়িতে তুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতের ওই ঘটনার পর শনিবার কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর (FIR News) নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Kolkata News)।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ নিউ বালিগঞ্জ রোডে (New Ballygunge Road) দাঁড়িয়ে ছিলেন ওই যুবতী। সে সময় একটি কালো রঙের চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর সামনে থামে। গাড়িতে থাকা কয়েক জন যুবক তাঁকে জোর করে তুলে নেয় বলে অভিযোগ। যুবতীর দাবি, চলন্ত গাড়ির ভিতরেই তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয়।
মোট পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’জনের নাম উল্লেখ করেছেন নির্যাতিতা। বাকি তিন জনের পরিচয় জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাঁচ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে মাসির বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন ওই যুবতী। একটি ক্যাব ভাড়া করে কসবার জাহাজ বাড়ি এলাকায় নামেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় দুই যুবক, আকাশ সিং ও আরিয়ান সিং তাঁকে ডাকে। কথাবার্তার মাঝেই তাঁকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলেও জানিয়েছেন নির্যাতিতা।
যুবতীর অভিযোগ, গাড়ির ভিতরেই তাঁকে যৌন নিগ্রহ করা হয়। পরে আনন্দপুর এলাকায় তাঁকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তখন তাঁর মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হয় বলে দাবি। সেখান থেকে তিনি এক বন্ধুকে ফোন করে গোটা ঘটনা জানান। শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় প্রথমে বন্ধুর বাড়িতে যান। পরে কসবা থানায় গিয়ে আকাশ ও আরিয়ানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। দুই অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও সূত্রের খবর।
এদিকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ সামনে আসতেই অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কিছু বাসিন্দা এবং নির্যাতিতার পরিবারের বিরুদ্ধে এই ভাঙচুরের অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।