
ক্যামেরা দেখেই দৌড় লাগালেন অফিসার - নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 20 August 2024 17:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত একজনই গ্রেফতার হয়েছে। সে হল সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়। ঘটনায় একাধিকজন জড়িত রয়েছে বলে দাবি করছে বিভিন্ন মহল। সেই প্রেক্ষিতে সঞ্জয়কে জেরা করেই সব তথ্য পেতে মরিয়া সিবিআই। তবে খোদ সঞ্জয় সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য পাওয়ার জন্য তার 'ঘনিষ্ঠ' এক অফিসারকে তলব করেছিল সিবিআই। প্রথমবার তাঁকে তলবের সময়ে কোনও হইচই না হলেও মঙ্গলবার হল। সিজিও কমপ্লেক্সে নেমেই ওই ব্যক্তি দৌড় লাগালেন।
সঞ্জয় রায় 'ঘনিষ্ঠ' এএসআই অনুপ দত্তকে মঙ্গলবার ফের তলব করেছিল সিবিআই। এদিন দেখা গেল, সিজিও কমপ্লেক্সে নেমেই তিনি দৌড় দিলেন! আশেপাশে একাধিক সাংবাদিক ছিলেন, ছিল বহু ক্যামেরাও। তাঁদের মুখোমুখি যাতে না হতে হয়, সে কারণে গাড়ি থেকে নেমেই দৌড় দিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সের ভিতরে ঢুকে যান তিনি। এই দৌড়নোর সময়ে দু-একবার প্রায় পড়েও যাচ্ছিলেন অনুপবাবু। কিন্তু কোনওরকমে নিজেকে সামলে নেন। কমপ্লেক্সের করিডরের সামনে এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের সঙ্গেও ধাক্কাও লাগে তাঁর। তাতেও অবশ্য থামেননি তিনি।
সঞ্জয় রায় পুলিশের কাছে অপরাধ কবুল করেছিল বলে খবর ছিল। কিন্তু এখন সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার পর তাকে নিয়ে আর কোনও তথ্য এখনও সামনে আসেনি। তবে ইতিমধ্যে সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ টেস্টের জন্য সিবিআই-কে অনুমতি দিয়েছে আদালত। ঘটনার সময়ে সে ঠিক কী কী করেছিল, তার সঙ্গে আর কেউ ছিল কিনা এবং আরও নানা তথ্য এই টেস্টের মাধ্যমে উঠে আসা সম্ভব। এই টেস্টের মাধ্যমে বোঝা যায়, যে কেউ মিথ্যা বলছে কিনা।
গত ৯ অগস্ট আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চার তলার সেমিনার হলে তরুণী চিকিৎসকের মরদেহ মিলেছিল। সেদিনই তাঁর মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। সেই রিপোর্ট এখন প্রকাশ্যে এসেছে। অনেকের মতে, যে ঘটনা ঘটেছে তা সঞ্জয়ের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে আরও একাধিকজন জড়িয়ে থাকতে পারে। সেই প্রেক্ষিতেই সঞ্জয় ঘনিষ্ঠদের তলব করছে সিবিআই। সঞ্জয় কেমন ছেলে, কেমন আচরণ করত, এইসবই জানতে চাইবে কেন্দ্রীয় সংস্থা। একইসঙ্গে সিবিআই এটাও জানতে চাইবে, কেবল সিভিক ভলেন্টিয়ার হয়ে সঞ্জয়ের এত বাড়বাড়ন্ত কীভাবে হল?