রোববার রাত ১টার কিছু পরে খিদিরপুর বাজারে (Khidirpur Fire) আচমকা আগুন লেগে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় কারণে মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বাজারে।

খিদিরপুরে মনোজ ভার্মা
শেষ আপডেট: 16 June 2025 13:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরিকল্পনা করে কেউ আগুন লাগিয়েছে নাকি না সেটা অভিযোগ এসেছে। এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি তেমন কিছু হয়েই থাকে তাহলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সোমবার পুড়ে ছাই খিদিরপুরে গিয়ে এমনই বললেন কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) কমিশনার মনোজ ভার্মা (CP Manoj Verma)।
রোববার রাত ১টার কিছু পরে খিদিরপুর বাজারে (Khidirpur Fire) আচমকা আগুন লেগে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় কারণে মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বাজারে। এলাকার মানুষ ঠিক করে সবটা খেয়াল করার আগেই পুড়ে খাক হয়ে যায় একেরপর এক দোকান।
প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দারাই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেছিলেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। থানা এবং দমকলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু দমকল দেরিতে আসে বলে অভিযোগ তোলেন তাঁরা। আগুন লাগার অন্তত দু’ঘণ্টা পর নেভানোর কাজে হাত দেয় দমকল। শুধু তাই নয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, গঙ্গা থেকে পাম্পের মাধ্যমে জল এনে আগুন নেভানোর পরিকল্পনা ছিল দমকলকর্মীদের।
মাঝরাতের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৩০০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকলের ২০টি ইঞ্জিন। আপাতত আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও বিভিন্ন জায়গায় সকাল পর্যন্ত রয়েছে পকেট ফায়ার। সেই আগুন নেভানোর কাজ এখনও চলছে।
সোমবার বেলার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন সিপি মনোজ ভার্মা। তিনি বলেন, "অন্তত ১২০০-র মতো দোকান পুড়ে গিয়েছে। দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয়নি। তবে আগুনে কেউ আহত বা জখম হননি। ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছে, বা ব্যবসায়ীরা যেমনটা অভিযোগ করছে ইচ্ছাকৃত কেউ আগুন লাগিয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"