
শেষ আপডেট: 30 August 2021 11:12
রবীন্দ্র সরোবর দেখভালের দায়িত্ব রয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অধীন কেএমডিএ–র ওপর। তারাই ধাপে ধাপে নতুন সাজে সাজিয়ে তুলবে রবীন্দ্র সরোবরকে। জানা গেছে, প্রস্তাবিত সৌন্দর্যায়নের রূপরেখা ঠিক করতে সাতজন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করা হয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কৃষ্ণেন্দু আচার্যকে এই কমিটির শীর্ষে বসানো হয়েছে। কমিটির সদস্যরা ইতিমধ্যেই রবীন্দ্র সরোবর পরিদর্শন করে গিয়েছেন। কোথায় কোথায় নতুন ধরনের গাছ লাগানোকল যাবে—চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিন নিয়েছেন বলে মাস্ক পরেননি! জেনে নিন কেমন অভিজ্ঞতা হতে পারে পথে
রবীন্দ্র সরোবরের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এখানকার জীব বৈচিত্র। সৌন্দর্যায়নের ক্ষেত্রে এই দিকটি অক্ষত রেখেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমফানে সরোবরের যেসব বড় গাছ পড়ে গিয়েছে, সেগুলির গুঁড়ি বা মাটিতে বসে থাকা অবশিষ্ট কাণ্ডকে ব্যবহার করা হবে সৌন্দর্যায়নের কাজে। শিল্পীদের কাজে লাগিয়ে সেইসব গাছের অবশিষ্ট কাণ্ডকে বিভিন্ন সুদৃশ্য মডেলের রূপ দেওয়া হবে। যেমনটা করা হয়েছে নন্দন চত্বরের একটি মৃত গাছের ক্ষেত্রে।
কলকাতার সেরা পুজোগুলির দুর্গাপ্রতিমা রাখা হয় রবীন্দ্র সরোবর চত্বরের একাংশে। এই অংশের নাম ‘মা ফিরে এলো’। তার পাশেই রয়েছে শিশুদের জন্য লিলিপুল নামে একটি উদ্যান। কেএমডি–এর সিইও অন্তরা আচার্য জানালেন, প্রজাপতি বাগানের পাশাপাশি বিদেশি গাছগুলিকে সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে সরোবরের শিশুদের পার্কটি। প্রাতঃভ্রমণকারীদের কাছে এমনিতেই রবীন্দ্র সরোবর চত্বর প্রিয় জায়গা। সারাদিনে বহু মানুষ কিছুটা সময় প্রকৃতিক কোলে কাটাতে এখানে আসেন। তাঁদের কাছে এই চত্বরকে আরও আকর্ষণীয় ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে তুলে ধরাই লক্ষ্য।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'