
শেষ আপডেট: 8 October 2021 10:28
এদিন লালবাজারের অনুষ্ঠানে গাইড ম্যাপ প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, গত এক বছরে দুর্ঘটনা রোখা থেকে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, সবেতেই সার্বিক উন্নতি হয়েছে। এ বছর পুজোয় পাঁচ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকবে। রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় পুজোতে যেসব বিধি মানার কথা বলা হয়েছে তা সঠিকভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা সেদিকে কড়া নজর থাকবে। শহরের সমস্ত পুজো মণ্ডপের তথ্য থাকবে গাইড ম্যাপে।
কলকাতা পুলিশ জানাচ্ছে, ম্যাপে সমস্ত বড় পুজো আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা রয়েছে। সেই সঙ্গে ওই পুজোগুলির কাছাকাছি পার্কিং লট কোথায়, কোন রাস্তা দিয়ে পৌঁছনো যাবে তা চিহ্নিত করা রয়েছে। তাছাড়া ভিড় নিয়ন্ত্রণ, আপৎকালীন পরিস্থিতি তৈরি হলে বা দুর্ঘটনার জেরে পূর্ব নির্ধারিত রাস্তায় অনেক সময় যান নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কখন কোন পথে কীভাবে যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে সে বিষয়ে গাইড করার জন্য অনেক পুলিশ থাকবে শহরের রাস্তায়।
গতবারের মতো এবারের পুজোতেই নানা বিধিনিষেধ বেঁধে দিয়েছে হাইকোর্ট। বড় পুজোর ক্ষেত্রে মণ্ডপের ভিতরে থাকতে পারবেন সর্বাধিক ৬০ জন। ছোট পুজোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ জন। যাঁরা মণ্ডপের ভিতরে থাকবেন তাঁদের মাস্ক ও ফেসশিল্ড বাধ্যতামূলক। সারাক্ষণ সঙ্গে রাখতে হবে স্যানিটাইজার। ছোট পুজোর প্যান্ডেলের বাইরে পাঁচ মিটার ও বড় পুজোর প্যান্ডেলের বাইরে দশ মিটার দূরে ব্যারিকেড রাখতে হবে। দর্শনার্থীরা মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন না। হাঁটতে হাঁটতেই তাঁদের প্রতিমা দর্শন করতে হবে। পুলিশ কমিশনার বলছেন, ছোট ও বড় পুজোর ক্ষেত্রে মণ্ডপের ভেতরে আয়োজকদের কতজন থাকবেন তা নিশ্চিত করতে হবে। বাচ্চাদের যেহেতু ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি এখনও, তাই তাদের নিরাপত্তার জন্য বাবা-মায়েদের ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে। পুজোর অঞ্জলি দেওয়ার সময় যাতে হাইকোর্টের নির্দেশ মানা হয় সেটা খেয়াল রাখতে হবে, এক জায়গায় বেশি ভিড় করা চলবে না। মণ্ডপের বাইরে অনাবশ্যক ভিড় করা চলবে না। শুধু পুজো মণ্ডপ নয়, খাবারের দোকান, শপিং মল চত্বর, রেস্তোরাঁ কোথাও যাতে বাড়তি ভিড় না হয় তা খেয়াল রাখবেন পুলিশ কর্মীরা।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'